প্রধানমন্ত্রীর দেখা ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমায় কী আছে

গতকাল থেকে টক অব দ্য কান্ট্রি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানের সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখা। প্রথমে চাউর হয়েছিল তারা তানিম নূর পরিচালিত ‘বনতলা এক্সপ্রেস’ ছবি দেখতে গিয়েছেন। পরবর্তীতে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা যায় তারা মূলত বিশ্বব্যাপী আলোচিত সায়েন্স ফিকশন ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ দেখার জন্য গিয়েছেন। এরপর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে কী আছে এই সিনেমায় আর কেন হঠাৎ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী দেখতে গেলেন সিনেমাটি। পৃথিবী যখন চূড়ান্ত ধ্বংসের মুখে এবং সূর্যের আলো ক্রমশ স্তিমিত হয়ে আসছে তখন মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষায় এক সাধারণ বিজ্ঞান শিক্ষকের মহাকাশ অভিযানের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’। ২০২১ সালে প্রকাশিত জনপ্রিয় লেখক অ্যান্ডি উইয়ারের বহুল পঠিত উপন্যাস অবলম্বনে ফিল লর্ড এবং ক্রিস্টোফার মিলার পরিচালিত এই সিনেমা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি ইতিমধ্যে সমালোচক ও দর্শকদের উচ্চ প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং ২০২৬ সালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র হিসেবে জায়গা করে নিয়

প্রধানমন্ত্রীর দেখা ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ সিনেমায় কী আছে
গতকাল থেকে টক অব দ্য কান্ট্রি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার মেয়ে জাইমা রহমানের সিনেমা হলে গিয়ে সিনেমা দেখা। প্রথমে চাউর হয়েছিল তারা তানিম নূর পরিচালিত ‘বনতলা এক্সপ্রেস’ ছবি দেখতে গিয়েছেন। পরবর্তীতে একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র থেকে জানা যায় তারা মূলত বিশ্বব্যাপী আলোচিত সায়েন্স ফিকশন ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ দেখার জন্য গিয়েছেন। এরপর থেকেই সিনেমাপ্রেমীদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে কী আছে এই সিনেমায় আর কেন হঠাৎ স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী দেখতে গেলেন সিনেমাটি। পৃথিবী যখন চূড়ান্ত ধ্বংসের মুখে এবং সূর্যের আলো ক্রমশ স্তিমিত হয়ে আসছে তখন মানবজাতির অস্তিত্ব রক্ষায় এক সাধারণ বিজ্ঞান শিক্ষকের মহাকাশ অভিযানের গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সায়েন্স ফিকশন চলচ্চিত্র ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’। ২০২১ সালে প্রকাশিত জনপ্রিয় লেখক অ্যান্ডি উইয়ারের বহুল পঠিত উপন্যাস অবলম্বনে ফিল লর্ড এবং ক্রিস্টোফার মিলার পরিচালিত এই সিনেমা বিশ্বজুড়ে দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। সম্প্রতি বিশ্বব্যাপী মুক্তি পাওয়া এই চলচ্চিত্রটি ইতিমধ্যে সমালোচক ও দর্শকদের উচ্চ প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং ২০২৬ সালের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয়কারী চলচ্চিত্র হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে। ছবির শুরুতেই দেখা যায় রাইল্যান্ড গ্রেস চরিত্রে অভিনয় করা রায়ান গসলিং একটি মহাকাশযানে সংজ্ঞাহীন অবস্থা থেকে জেগে ওঠেন। শুরুতে তিনি স্মৃতিলোপের সমস্যায় ভুগলেও পরে বুঝতে পারেন পৃথিবী থেকে কয়েক আলোকবর্ষ দূরে একটি যানে তিনি একাই বেঁচে আছেন। তার ওপর মূল দায়িত্ব ন্যস্ত হয় সূর্যকে অ্যাস্ট্রোফেজ নামক এক অণুজীবের আক্রমণ থেকে রক্ষা করার যা পৃথিবীর তাপমাত্রা কমিয়ে মানবজাতিকে বিলুপ্তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে। চলচ্চিত্রটির একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো কেন্দ্রীয় চরিত্র গ্রেসের সঙ্গে রকি নামক এক ভিনগ্রহী প্রাণীর অভূতপূর্ব বন্ধুত্ব। নির্মাতারা এই অদ্ভুত ও আবেগঘন সম্পর্কটিকে পর্দায় অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন যেখানে তাদের একে অপরকে রক্ষার চেষ্টা দর্শকদের গভীরভাবে স্পর্শ করে। রায়ান গসলিং তার দুর্দান্ত অভিনয়ের মাধ্যমে একাকী মহাকাশচারীর প্রতিটি অভিব্যক্তি সার্থকতা দান করেছেন। পাশাপাশি সান্ড্রা হুলারের সাবলীল অভিনয় ড্যানিয়েল পেমবার্টনের আবহসংগীত এবং গ্রেইগ ফ্রেজারের চিত্রগ্রহণ সিনেমাটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। তা ছাড়া এই সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন জেমস অর্টিজ এবং লায়োনেল বয়েস। গল্পের বুনন কিছুটা জটিল হলেও মৌলিক কাহিনি ও নির্মাণশৈলীর কারণে বক্স অফিসে এটি শক্তিশালী অবস্থানে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow