প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ঘিরে সংসদে হাতাহাতি

জর্জিয়ার পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি কোবাখিদজের বার্ষিক ভাষণকে কেন্দ্র করে তুমুল হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিরোধী ও সরকারি দলের আইনপ্রণেতারা একে অপরের সঙ্গে ঘুসি, লাথি ও বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন, ফলে অধিবেশন কার্যত অচল হয়ে যায়। স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রশ্নোত্তর পর্বে এক বিরোধী সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে কড়া প্রশ্ন তোলেন। এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সংসদ কক্ষে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েকজন সংসদ সদস্য একে অপরকে ধাক্কাধাক্কি ও ঘুসি মারেন। সংসদের নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনা জর্জিয়ায় চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতারই বহিঃপ্রকাশ। গত কয়েক মাস ধরে দেশটিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের আলোচনা স্থগিত করার সরকারি সিদ্ধান্তকে ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সরকার দেশটিকে ইউরোপমুখী পথ থেকে সরিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে সরকার বলছে, জাতীয় স্বার্থ রক

প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ঘিরে সংসদে হাতাহাতি

জর্জিয়ার পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ইরাকলি কোবাখিদজের বার্ষিক ভাষণকে কেন্দ্র করে তুমুল হট্টগোল ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। বিরোধী ও সরকারি দলের আইনপ্রণেতারা একে অপরের সঙ্গে ঘুসি, লাথি ও বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন, ফলে অধিবেশন কার্যত অচল হয়ে যায়।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, প্রশ্নোত্তর পর্বে এক বিরোধী সংসদ সদস্য প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনা করে কড়া প্রশ্ন তোলেন। এর জেরে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সংসদ কক্ষে হাতাহাতি ও মারামারির ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কয়েকজন সংসদ সদস্য একে অপরকে ধাক্কাধাক্কি ও ঘুসি মারেন। সংসদের নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন।

বিশ্লেষকদের মতে, এ ঘটনা জর্জিয়ায় চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতারই বহিঃপ্রকাশ। গত কয়েক মাস ধরে দেশটিতে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ, রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের আলোচনা স্থগিত করার সরকারি সিদ্ধান্তকে ঘিরে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, সরকার দেশটিকে ইউরোপমুখী পথ থেকে সরিয়ে নিচ্ছে। অন্যদিকে সরকার বলছে, জাতীয় স্বার্থ রক্ষার জন্যই তারা এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, পার্লামেন্টে এই সংঘর্ষ প্রমাণ করছে যে জর্জিয়ার রাজনৈতিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে এবং সরকার ও বিরোধীদের মধ্যে সমঝোতার সম্ভাবনা ক্রমেই ক্ষীণ হয়ে পড়ছে।

সূত্র: স্কাই নিউজ

এমএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow