‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অপেক্ষায় চীনের সরকার ও জনগণ’
ঢাকাস্থ চীন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, চীনের জনগণ ও সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিএনপির সাম্প্রতিক চীন সফর শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক নৈশভোজের অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেছেন, বিএনপির সাম্প্রতিক চীন সফরকে ঘিরে দেশটির জনগণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বিএনপির এ সফরকে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে।
অনুষ্ঠানে শুরুতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপিকে চীনে আমন্ত্রণের জন্য দেশটির জনগণ ও সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
মন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেশ বলে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লুক ইস্ট পলিসির কথা তুলে ধরেন এবং একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা-মায়ের দেখানো পথ অনুসরণ করে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্
ঢাকাস্থ চীন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেছেন, চীনের জনগণ ও সরকার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের অপেক্ষায় রয়েছে।
বিএনপির সাম্প্রতিক চীন সফর শেষে গতকাল বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক নৈশভোজের অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাষ্ট্রদূত বলেছেন, বিএনপির সাম্প্রতিক চীন সফরকে ঘিরে দেশটির জনগণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ লক্ষ্য করা গিয়েছে। চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে বিএনপির এ সফরকে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করেছে।
অনুষ্ঠানে শুরুতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিএনপিকে চীনে আমন্ত্রণের জন্য দেশটির জনগণ ও সরকারকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
মন্ত্রী বাংলাদেশ ও চীন ঘনিষ্ঠ বন্ধুদেশ বলে উল্লেখ করেন এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগের স্থপতি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লুক ইস্ট পলিসির কথা তুলে ধরেন এবং একই সঙ্গে বেগম খালেদা জিয়ার অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বাবা-মায়ের দেখানো পথ অনুসরণ করে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সঙ্গে সম্পর্ককে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
তিনি দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি শিল্প- সাহিত্য, বাণিজ্য, অর্থনীতি ও প্রশাসনিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে মন্ত্রী আরও বলেন, আমরা অর্থনৈতিকভাবে টেকসই দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা হওয়ার সকল যাত্রায় চীন সহযোগিতা করবে বলে আমরা আশা করি।
অনুষ্ঠানে বিএনপি প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, কয়েকজন সংসদ সদস্য ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।
এ দিকে চীনের প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, চীনা মিশনের উপপ্রধান লিউ চ্যাং ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তা বৃন্দ।