প্রশ্নফাঁসের টাকা শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ, আবেদ আলীর অ্যাকাউন্ট জব্দ

বহু বছরের প্রশ্নফাঁস বাণিজ্য থেকে অর্জিত অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের অভিযোগে চক্রের মূলহোতা পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীসহ সংশ্লিষ্টদের পাঁচটি বেনিফিশিয়াল ওনার (বি) অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা সৈয়দ আবেদ আলীসহ অন্যদের অবৈধভাবে অর্জিত শেয়ার বাজারের বিনিয়োগ ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রিয়াজ হোসেন বলেন, মানিলন্ডারিং অনুসন্ধানের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিও অ্যাকাউন্টগুলো অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে। মামলার প্রেক্ষাপট ও তদন্তে সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশনস এন্ড অপারেশনস ইউনিটের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহার আবেদনের প্রেক্ষিতে জানা যায়, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী দলের সদস্য। আবেদ আলীসহ এই চক্রটি ২০০৩ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস করে আসছিল। প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে

প্রশ্নফাঁসের টাকা শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ, আবেদ আলীর অ্যাকাউন্ট জব্দ

বহু বছরের প্রশ্নফাঁস বাণিজ্য থেকে অর্জিত অর্থ শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের অভিযোগে চক্রের মূলহোতা পিএসসির সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীসহ সংশ্লিষ্টদের পাঁচটি বেনিফিশিয়াল ওনার (বি) অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

প্রশ্নফাঁস চক্রের মূলহোতা সৈয়দ আবেদ আলীসহ অন্যদের অবৈধভাবে অর্জিত শেয়ার বাজারের বিনিয়োগ ব্লক করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এই আদেশ প্রদান করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রিয়াজ হোসেন বলেন, মানিলন্ডারিং অনুসন্ধানের স্বার্থে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই বিও অ্যাকাউন্টগুলো অবরুদ্ধ করার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলার প্রেক্ষাপট ও তদন্তে সিআইডির সাইবার ইনভেস্টিগেশনস এন্ড অপারেশনস ইউনিটের অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার সুমন কুমার সাহার আবেদনের প্রেক্ষিতে জানা যায়, আসামিরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী দলের সদস্য। আবেদ আলীসহ এই চক্রটি ২০০৩ সাল থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস করে আসছিল। প্রশ্নফাঁসের মাধ্যমে উপার্জিত অবৈধ অর্থ দিয়ে তারা বিপুল পরিমাণ স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তদন্তের সুষ্ঠু স্বার্থে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ১৪ (১) ধারা অনুযায়ী বিও অ্যাকাউন্টগুলো অবরুদ্ধ করার জন্য ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জকে নির্দেশ প্রদানের আবেদন জানানো হয়।

আদালতের নির্দেশে পাঁচটি বিও অ্যাকাউন্ট অবরুদ্ধ করা হয়েছে। এসব অ্যাকাউন্টের মধ্যে রয়েছে সৈয়দ আবেদ আলীর নামে বিডিবিএল সিকিউরিটিজ লিমিটেডে থাকা অ্যাকাউন্ট; আবু সোলায়মান মো. সোহেলের নামে শেলটেক ব্রোকারেজ লিমিটেড ও গ্লোবাল সিকিউরিটিজ লিমিটেডে থাকা দুটি অ্যাকাউন্ট; জাহাঙ্গীর আলমের নামে মোনা ফিন্যান্সিয়াল কনসালটেন্সিতে থাকা অ্যাকাউন্ট; এবং মো. মাহবুবুর রহমানের নামে ক্রেস্ট সিকিউরিটিজ লিমিটেডে থাকা অ্যাকাউন্ট।

শুনানি শেষে আদালত এসব অ্যাকাউন্টে থাকা শেয়ার ও অর্থ পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত অবরুদ্ধ রাখার আদেশ দেন। এসময় রাষ্ট্রপক্ষে ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর মো. ওমর ফারুক ফারুকী উপস্থিত ছিলেন।

এমডিএএ/এসএনআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow