প্রাইভেটকারে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিল, বাহককে সাজা দিলেন আদালত

চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের এক মামলায় মো. জাফর নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (১৭ মে) চতুর্থ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আফরোজা জেসমিন কলি এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জাফর (৫৩) ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার কোনাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মো. হাশেমের ছেলে। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাঈম হোসেন কালবেলাকে বলেন, মামলায় পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জব্দ তালিকাসহ উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ দণ্ডাদেশ দিয়েছেন। মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১২ মার্চ বিকেলে নগরের আকবরশাহ থানার পূর্ব ফিরোজশাহ কলোনি এলাকায় অভিযান চালায় র‍্যাব-৭। এ সময় সন্দেহভাজন একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর র‍্যাব-৭ এর তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক অমল চন্দ

প্রাইভেটকারে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিল, বাহককে সাজা দিলেন আদালত

চট্টগ্রাম নগরের আকবরশাহ থানার মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের এক মামলায় মো. জাফর নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (১৭ মে) চতুর্থ অতিরিক্ত চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আফরোজা জেসমিন কলি এ রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. জাফর (৫৩) ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার কোনাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। তিনি মো. হাশেমের ছেলে। রায়ের সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে আদালত তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী নাঈম হোসেন কালবেলাকে বলেন, মামলায় পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য ও জব্দ তালিকাসহ উপস্থাপিত আলামত পর্যালোচনায় অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ দণ্ডাদেশ দিয়েছেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ১২ মার্চ বিকেলে নগরের আকবরশাহ থানার পূর্ব ফিরোজশাহ কলোনি এলাকায় অভিযান চালায় র‍্যাব-৭। এ সময় সন্দেহভাজন একটি সাদা রঙের প্রাইভেটকার তল্লাশি করে ১ হাজার ১৯৯ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার পর র‍্যাব-৭ এর তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক অমল চন্দ বাদী হয়ে আকবরশাহ থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দিলে বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়।

দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত রোববার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow