প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিকের ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হয়নি। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি। এজন্য আমরা নিয়োগ প্রক্রিয়া রিভিউ করছি না। রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া রিভিউ করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এজছানুল হক মিলন। গত ২০ এপ্রিল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এ তথ্য জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। তবে গত সপ্তাহের শেষ দিকে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ রিভিউ প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে মন্ত্রণালয়। সভার সূত্র ধরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিকের নিয়োগ নিয়ে গত সপ্তাহে আমরা সভা করেছি। সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, প্রাথমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তারা ছিলেন। সেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়া যেভাবে চলছে, সেভাবে চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। অর্থাৎ, নিয়

প্রাথমিকে ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, প্রাথমিকের ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ হয়নি। প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট রয়েছে। শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া জরুরি। এজন্য আমরা নিয়োগ প্রক্রিয়া রিভিউ করছি না।

রোববার (২৬ এপ্রিল) রাতে গণমাধ্যমকে এসব কথা বলেন গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া রিভিউ করা হতে পারে বলে জানিয়েছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এজছানুল হক মিলন।

গত ২০ এপ্রিল সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এ তথ্য জানিয়েছিলেন মন্ত্রী। তবে গত সপ্তাহের শেষ দিকে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ রিভিউ প্রক্রিয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে মন্ত্রণালয়।

সভার সূত্র ধরে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, প্রাথমিকের নিয়োগ নিয়ে গত সপ্তাহে আমরা সভা করেছি। সভায় শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. এহছানুল হক মিলন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, প্রাথমিক অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ অন্য কর্মকর্তারা ছিলেন। সেখানে নিয়োগ প্রক্রিয়া যেভাবে চলছে, সেভাবে চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। অর্থাৎ, নিয়োগে আমরা হাত দেবো না।

গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের শ্রেণিকক্ষ ফাঁকা। আমাদের দ্রুত সময়ের মধ্যে নিয়োগ দিতে হবে। নিয়োগপ্রক্রিয়ায় ভুল হয়নি আমি এমনটি বলছি না। ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে যে প্রতিবেদন আমরা পেয়েছি, সেটাতে আমরা নিয়োগপ্রক্রিয়া নিয়ে ন্যূনতম আস্থার জায়গাটা পেয়েছি, তাদের রাখতে পারি।

এএএইচ/এমকেআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow