প্রেসিডেন্টের চেয়ে বিপজ্জনক পেশা কল্পনা করা কঠিন: ট্রাম্প
প্রেসিডেন্টের চেয়ে বিপজ্জনক পেশা কল্পনা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের একটি অনুষ্ঠানে বন্দুক হামলার পর তিনি এ মন্তব্য করেছেন। রোববার (২৬ এপ্রিল) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। ট্রাম্প বলেন, আমি কল্পনাও করতে পারি না, এর চেয়ে বেশি বিপজ্জনক কোনো পেশা আছে। প্রেসিডেন্সি যে এতটা বিপজ্জনক পদ হতে পারে, তা আগে জানলে হয়তো আমি নির্বাচনেই দাঁড়াতাম না। বিবিসি জানিয়েছে, এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বন্দুক হামলার মুখোমুখি হয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই পেনসিলভানিয়ায় হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি। বাটলারের সেই গুলির ঘটনাটি ছিল তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়। এদিকে আজকের একই হোটেলেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানও হামলার শিকার হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন হিলটনে ১৯৮১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। ওই বছরের ৩১ মার্চ হোটেলের ভেতরে একটি বক্তব্য শেষ করে লিমুজিনে ফেরার পথে রিগ্যানের ওপর গুলি চালানো হয়। জন হিঙ্কলি জুনিয়র নামের এক অস্ত্রধারী এ হামলা চালান।
প্রেসিডেন্টের চেয়ে বিপজ্জনক পেশা কল্পনা করা কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের একটি অনুষ্ঠানে বন্দুক হামলার পর তিনি এ মন্তব্য করেছেন।
রোববার (২৬ এপ্রিল) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, আমি কল্পনাও করতে পারি না, এর চেয়ে বেশি বিপজ্জনক কোনো পেশা আছে। প্রেসিডেন্সি যে এতটা বিপজ্জনক পদ হতে পারে, তা আগে জানলে হয়তো আমি নির্বাচনেই দাঁড়াতাম না।
বিবিসি জানিয়েছে, এ নিয়ে তৃতীয়বারের মতো বন্দুক হামলার মুখোমুখি হয়েছেন ট্রাম্প। এর আগে ২০২৪ সালের ১৩ জুলাই পেনসিলভানিয়ায় হামলার শিকার হয়েছিলেন তিনি। বাটলারের সেই গুলির ঘটনাটি ছিল তার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়।
এদিকে আজকের একই হোটেলেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানও হামলার শিকার হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে বিবিসি।
তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটন হিলটনে ১৯৮১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের ওপর হামলা চালানো হয়েছিল। ওই বছরের ৩১ মার্চ হোটেলের ভেতরে একটি বক্তব্য শেষ করে লিমুজিনে ফেরার পথে রিগ্যানের ওপর গুলি চালানো হয়। জন হিঙ্কলি জুনিয়র নামের এক অস্ত্রধারী এ হামলা চালান।
ওই হামলায় রিগ্যান প্রাণে বেঁচে গেলেও গুরুতর আহত হন। একটি গুলি প্রেসিডেন্টের লিমুজিনের পাশে লেগে প্রতিফলিত হয়ে তার শরীরে আঘাত করে। এতে তার একটি পাঁজরের হাড় ভেঙে যায় এবং ফুসফুসে ছিদ্র হয়। তাকে দ্রুত কাছের জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসার পর ১১ এপ্রিল তিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পান।
বিবিসি জানিয়েছে, হামলায় তৎকালীন হোয়াইট হাউস প্রেস সেক্রেটারি জেমস ব্র্যাডিও আহত হন। পাশাপাশি একজন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট এবং স্থানীয় পুলিশ বিভাগের একজন কর্মকর্তাও গুলিবিদ্ধ হন।
ব্র্যাডি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। এর ফলে তিনি সারাজীবনের জন্য প্রতিবন্ধী হয়ে পড়েন। এই আঘাতজনিত জটিলতায় পরবর্তীতে ২০১৪ সালে তার মৃত্যু হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হিঙ্কলিকে মানসিক অসুস্থতার কারণে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি। তবে তাকে ওয়াশিংটনের সেন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালের উচ্চ নিরাপত্তা বিভাগে রাখা হয় এবং ২০১৬ সালে মুক্তি দেওয়া হয়। আজও হোটেলের দেয়ালে একটি ফলক রয়েছে, যা সেই গুলির ঘটনার স্থানকে চিহ্নিত করে।
What's Your Reaction?