‘ফকল্যান্ড যুদ্ধের ঘটনার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই’

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি মানেই ইতিহাস, আবেগ আর চরম উত্তেজনার লড়াই। ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনা হাত দিয়ে গোল করে দুই দেশের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলের গণ্ডি ছাড়িয়ে বহু আগেই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে সেই অতীতকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল। তার মতে, ইতিহাস নিয়ে ভাবলে দলের কোনো উপকার হবে না; জিততে হলে মনোযোগ রাখতে হবে শুধু মাঠের খেলায়। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, ‘আমার মনে হয় ইতিহাস নিয়ে বেশি ভাবা উচিত নয়, কারণ এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি আমাদের কোনো সাহায্যও করে না। আমরা বুঝি, এটি আর্জেন্টিনার সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তাদের অনুপ্রেরণারও উৎস। বিষয়টি দুঃখজনক, কিন্তু সেটি বাস্তবতা। তবে আমাদের জন্য এটি কোনো কাজে আসে না।’ আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির মতোই টুখেলও মনে করেন, এই ম্যাচকে শুধুই একটি ফুটবল ম্যাচ হিসেবেই দেখা উচিত। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি ফুটবল ম্যাচ খেলতে যাচ্ছি। ম্যাচটি খুবই তীব্র হবে। দুই দলের খেলার ধরন এবং ম্যাচের গুরুত্বে

‘ফকল্যান্ড যুদ্ধের ঘটনার সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই’

বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড মুখোমুখি মানেই ইতিহাস, আবেগ আর চরম উত্তেজনার লড়াই। ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধ থেকে শুরু করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনা হাত দিয়ে গোল করে দুই দেশের এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা ফুটবলের গণ্ডি ছাড়িয়ে বহু আগেই ইতিহাসের অংশ হয়ে গেছে। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আগে সেই অতীতকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেল। তার মতে, ইতিহাস নিয়ে ভাবলে দলের কোনো উপকার হবে না; জিততে হলে মনোযোগ রাখতে হবে শুধু মাঠের খেলায়।

ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে টুখেল বলেন, ‘আমার মনে হয় ইতিহাস নিয়ে বেশি ভাবা উচিত নয়, কারণ এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই এবং এটি আমাদের কোনো সাহায্যও করে না। আমরা বুঝি, এটি আর্জেন্টিনার সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং তাদের অনুপ্রেরণারও উৎস। বিষয়টি দুঃখজনক, কিন্তু সেটি বাস্তবতা। তবে আমাদের জন্য এটি কোনো কাজে আসে না।’

আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনির মতোই টুখেলও মনে করেন, এই ম্যাচকে শুধুই একটি ফুটবল ম্যাচ হিসেবেই দেখা উচিত। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি ফুটবল ম্যাচ খেলতে যাচ্ছি। ম্যাচটি খুবই তীব্র হবে। দুই দলের খেলার ধরন এবং ম্যাচের গুরুত্বের কারণে এটি আবেগে ভরা একটি লড়াই হবে। আমি অবাক হব যদি এটি শান্ত বা সহজ কোনো ম্যাচ হয়। আমরা মানসিক উত্থান-পতনে ভরা একটি ম্যাচের প্রত্যাশা করছি, আর এমন ম্যাচ খেলতেই আমরা এখানে এসেছি।’

টুখেল আর্জেন্টিনার মানসিক দৃঢ়তারও প্রশংসা করেন। বিশেষ করে লিওনেল স্কালোনির অধীনে দলটির ধারাবাহিকতাকে তিনি অন্যতম বড় শক্তি হিসেবে দেখছেন। ইংল্যান্ড কোচের ভাষায়, ‘তাদের সবচেয়ে বড় গুণ হলো, পিছিয়ে পড়লেও তারা কখনও ভেঙে পড়ে না। তাদের খেলার ধরন খুবই সুসংগঠিত। দলটির খেলোয়াড়রা একে অপরকে খুব ভালোভাবে বোঝে এবং গত চার বছরে দলে বড় কোনো পরিবর্তন আসেনি।’

সেমিফাইনালের গুরুত্ব উপলব্ধি করলেও আত্মবিশ্বাস হারাচ্ছেন না টুখেল। শেষে তিনি বলেন, ‘সবকিছুই অনুভব করা যাচ্ছে। এটি বড় একটি ম্যাচ, কঠিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে, বিশেষ করে বিশ্বকাপের মঞ্চে। তবে আমরা লড়াই করার জন্যই প্রস্তুত।’

বুধবারের এই মহারণে জয়ী দলই স্পেনের বিপক্ষে বিশ্বকাপ ফাইনালে জায়গা করে নেবে। তাই ইতিহাসের ভার নয়, নিজেদের পারফরম্যান্সই শেষ পর্যন্ত পার্থক্য গড়ে দেবে বলে বিশ্বাস টুখেলের।

আরআর/আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow