ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে বিদায় দেওয়া হয়েছে: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। দেশ ছাড়ার গুঞ্জন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জাগো নিউজকে একথা জানান। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘৯ ও ১০ তারিখে অফিস থেকে বিদায় নিয়েছি। ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে।’ দেশ ছেড়েছেন কি না সেটা স্পষ্ট না করলেও ফয়েজ আহমদ বলেন, আমি অল্প সময়ে জীবনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, এটুকু বলতে পারি। একটা শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, নতুন প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা এনেছি। সবগুলা পুরানা আইন ও পলিসি পরিবর্তন করতে পাগলের মতো খেটেছি। এগুলা ৫ বছরের কাজ।’ তিনি বলেন, ‘আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি আমি ১ টাকাও দুর্নীতি করিনি। আমি বাই ভার্চু সৎ লোক। টাকা মারসি এটা নিতে পারি না ভাই। মোবাইল ব্যবসায়ীরা, টেলিকম মাফিয়ারা আমার বিরুদ্ধে কুৎসা করেছে। আমি তাদের কাছে মাথা নত করিনি। দ্রুত একটা চাকরি খুঁজবো। আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবো।’ ফয়েজ আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী-সন্তানকে ডিপ্রাইভ করে, নিরাপদ জীবন ফেলে দে

ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে বিদায় দেওয়া হয়েছে: ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব

ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। দেশ ছাড়ার গুঞ্জন বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি জাগো নিউজকে একথা জানান।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাগো নিউজকে তিনি বলেন, ‘৯ ও ১০ তারিখে অফিস থেকে বিদায় নিয়েছি। ফরমালি মন্ত্রণালয় থেকে বিদায় দেওয়া হয়েছে।’

দেশ ছেড়েছেন কি না সেটা স্পষ্ট না করলেও ফয়েজ আহমদ বলেন, আমি অল্প সময়ে জীবনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি, এটুকু বলতে পারি। একটা শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্ত মন্ত্রণালয়ে নতুন ব্যবস্থাপনা, নতুন প্রযুক্তি ও স্বচ্ছতা এনেছি। সবগুলা পুরানা আইন ও পলিসি পরিবর্তন করতে পাগলের মতো খেটেছি। এগুলা ৫ বছরের কাজ।’

তিনি বলেন, ‘আল্লাহকে সাক্ষী রেখে বলতে পারি আমি ১ টাকাও দুর্নীতি করিনি। আমি বাই ভার্চু সৎ লোক। টাকা মারসি এটা নিতে পারি না ভাই। মোবাইল ব্যবসায়ীরা, টেলিকম মাফিয়ারা আমার বিরুদ্ধে কুৎসা করেছে। আমি তাদের কাছে মাথা নত করিনি। দ্রুত একটা চাকরি খুঁজবো। আমার স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাবো।’

ফয়েজ আরও বলেন, ‘আমার স্ত্রী-সন্তানকে ডিপ্রাইভ করে, নিরাপদ জীবন ফেলে দেশে এসেছি, কিছু মানুষ আমাকে যে যেভাবে পেরেছে অপমান, অপদস্ত করতে কাজ করেছে। মাঝে মাঝে মনে হয় এই দেশের উল্লেখযোগ্য মানুষ সৎ লোক এবং নলেজ ড্রিভেন লিডারশিপ ডিজার্ভ করে না। এই কষ্ট আমাকে তীব্রভাবে আঘাত করেছে। আমি সাধারণ মানুষ, সাধারণ পানাহার করি, সাধারণ চলাফেরা করি। নিজের কাছে সৎ ও স্বচ্ছ আছি। দোয়া করবেন।’

ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব দেশ ছাড়ার বিষয়ে সরাসরি কিছু না বললেও তার একটি ঘনিষ্ঠ সূত্র জাগো নিউজকে নিশ্চিত করেছে, মন্ত্রণালয় তাকে বিদায় দিয়েছে। তিনি তার পরিবারের কাছে ফিরে গেছেন। তবে কোন দেশে গেছেন সেটা তিনি জানাননি।

ইএইচটি/এএসএ/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow