ফরিদপুরে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় দেখতে হাজারো মানুষের ঢল

ফরিদপুরের সালথায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার দর্শনার্থী ভিড় করেন। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া এলাকায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। ‎আয়োজক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিতাইলার বিল থেকে নিশাতলা পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এলাকায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় মোট ৯টি ঘোড়া। এ সময় আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম ও উপজেলা থেকে আসা হাজারো শিশু-কিশোর ও বিভিন্ন বয়সি দর্শনার্থীদের ভিড়ে এলাকাটি এক আনন্দমুখর উৎসবে পরিণত হয়। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে মো. জসিম মোল্লার ঘোড়া। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করে যথাক্রমে নুরুল ইসলাম ও অন্য এক মালিকের ঘোড়া। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে ২৬ ইঞ্চি এলইডি টিভি ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।‎জসিম মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন পর ঘোড়দৌড়ে আমার অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। ভবিষ্যতেও নিয়মিত অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মো. নুরুল ইসলাম মাতুব্বর বলেন, এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে। আগেকার দিনে এই

ফরিদপুরে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় দেখতে হাজারো মানুষের ঢল

ফরিদপুরের সালথায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে কয়েক হাজার দর্শনার্থী ভিড় করেন।

মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া এলাকায় এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

আয়োজক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চিতাইলার বিল থেকে নিশাতলা পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এলাকায় আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় মোট ৯টি ঘোড়া। এ সময় আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম ও উপজেলা থেকে আসা হাজারো শিশু-কিশোর ও বিভিন্ন বয়সি দর্শনার্থীদের ভিড়ে এলাকাটি এক আনন্দমুখর উৎসবে পরিণত হয়।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে মো. জসিম মোল্লার ঘোড়া। দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জন করে যথাক্রমে নুরুল ইসলাম ও অন্য এক মালিকের ঘোড়া। বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার হিসেবে ২৬ ইঞ্চি এলইডি টিভি ও নগদ অর্থ প্রদান করা হয়।

জসিম মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন পর ঘোড়দৌড়ে আমার অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। ভবিষ্যতেও নিয়মিত অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মো. নুরুল ইসলাম মাতুব্বর বলেন, এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে। আগেকার দিনে এই সময়ে বিভিন্ন স্থানে গ্রামীণ মেলার পাশাপাশি ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হতো। তখন মানুষের মধ্যে এত ভেদাভেদ, হিংসা ছিল না।

এ বিষয়ে সালথার বল্লভদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার সাইফুর রহমান শাহীন বলেন, ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা গ্রামবাংলার ঐতিহ্য, এখন অনেকটা বিলুপ্ত হতে চলছে। দীর্ঘদিন পর এই প্রতিযোগিতা ফিরে আসায় এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকরাও ভবিষ্যতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাবেন বলে আশাবাদ প্রকাশ করি।

এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow