ফরিদপুরে কলেজছাত্রীকে অপহরণ-ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

ফরিদপুরে কলেজছাত্রীকে অপহরণের দায়ে সোহেল শেখ (৩৫) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ওই ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে অন্য আরেকটি ধারায়ও তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দুটি ধারার রায়ে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে ওই ব্যক্তি এ দুই সাজা একত্রে ভোগ করতে পারবেন। রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবক ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ চরনারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার কিশোরী বোয়ালমারী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। মোট তিন আসামির মধ্যে দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে। মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে ওই ছাত্রী বোয়ালমারী উপজেলার একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার পথে মো. সোহেল শেখ তাকে বির

ফরিদপুরে কলেজছাত্রীকে অপহরণ-ধর্ষণ, যুবকের যাবজ্জীবন

ফরিদপুরে কলেজছাত্রীকে অপহরণের দায়ে সোহেল শেখ (৩৫) নামের এক যুবককে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ওই ছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের দায়ে অন্য আরেকটি ধারায়ও তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

দুটি ধারার রায়ে যাবজ্জীবনের পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও এক বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে ওই ব্যক্তি এ দুই সাজা একত্রে ভোগ করতে পারবেন।

রোববার (১৫ মার্চ) দুপুর দেড়টার দিকে ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) শামীমা পারভীন এ আদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই যুবক ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ চরনারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। অপহরণ ও ধর্ষণের শিকার কিশোরী বোয়ালমারী উপজেলার একটি গ্রামের বাসিন্দা। রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর তাকে পুলিশ পাহারায় জেলা কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। মোট তিন আসামির মধ্যে দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালে ওই ছাত্রী বোয়ালমারী উপজেলার একটি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। বাড়ি থেকে কলেজে যাওয়ার পথে মো. সোহেল শেখ তাকে বিরক্ত করতেন। এ ঘটনা মেয়ের পরিবারের লোকজন ছেলের অভিভাবকদের কাছে নালিশ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ২০১৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ওই ছাত্রীকে নিজের সহযোগীদের নিয়ে মাইক্রোবাসে করে অপহরণ করে মো. সোহেল শেখ। এ ঘটনায় ওই বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর ওই কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে সোহেল শেখসহ তিনজনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। এজাহারে সোহেল শেখের পাশাপাশি তার ভাই রাসেল শেখ (৩২) ও তাদের সহযোগী আরিফ শেখকেও (৪০) আসামি করা হয়। মামলাটি তদন্ত করেন বোয়ালমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. সানোয়ার হোসেন। ২০১৭ সালের ২ মার্চ তিনি এ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওই আদালতের পিপি গোলাম রব্বানী বলেন, আদালত সোহেল শেখের দুটি অপরাধে দুটি ধারায় রায় প্রদান করেছেন। একটি অপহরণ ও অপরটি ধর্ষণ। দুটি অপরাধে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এই রায়ে সন্তুষ্ট প্রকাশ করছি।

এনকেবি নয়ন/আরএইচ/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow