ফরিদপুরে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা, দর্শকের ঢল
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নে দীর্ঘ দেড় দশক পর অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে চিতাইলার বিল থেকে নিশাতলা পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এলাকায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ৯টি ঘোড়া।
স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় আশেপাশের গ্রাম ও উপজেলা থেকে হাজার হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষরা আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতাটি উপভোগ করেন।
প্রথম স্থান অধিকার করে মো. জসিম মোল্লার ঘোড়া। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন নুরুল ইসলামের ঘোড়া। তৃতীয় স্থান লাভ করে অন্য একটি ঘোড়া।
ঘোড়ার মালিক জসিম মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন পর অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। ভবিষ্যতেও নিয়মিত অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
নুরুল ইসলাম মাতুব্বর বলেন, এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর এ প্রতিযোগিতা ফিরে আসায় এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকরাও ভবিষ্যতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ প্রকাশ করেছি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বল্লভদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার সাইফুর রহমান শাহী
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার বল্লভদী ইউনিয়নে দীর্ঘ দেড় দশক পর অনুষ্ঠিত হলো ঐতিহ্যবাহী ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতা। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে চিতাইলার বিল থেকে নিশাতলা পর্যন্ত ২ কিলোমিটার এলাকায় আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় ৯টি ঘোড়া।
স্থানীয়দের উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতায় আশেপাশের গ্রাম ও উপজেলা থেকে হাজার হাজার দর্শক উপস্থিত ছিলেন। শিশু-কিশোরসহ সব বয়সী মানুষরা আনন্দ-উচ্ছ্বাসের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতাটি উপভোগ করেন।
প্রথম স্থান অধিকার করে মো. জসিম মোল্লার ঘোড়া। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন নুরুল ইসলামের ঘোড়া। তৃতীয় স্থান লাভ করে অন্য একটি ঘোড়া।
ঘোড়ার মালিক জসিম মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন পর অংশগ্রহণ করতে পেরে আনন্দিত। ভবিষ্যতেও নিয়মিত অংশগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে।
নুরুল ইসলাম মাতুব্বর বলেন, এ ধরনের আয়োজন গ্রামীণ সংস্কৃতি ও সামাজিক বন্ধনকে দৃঢ় করে।
স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন পর এ প্রতিযোগিতা ফিরে আসায় এলাকায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। আয়োজকরাও ভবিষ্যতে নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ প্রকাশ করেছি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বল্লভদী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান খন্দকার সাইফুর রহমান শাহীন, স্থানীয় নেতা বাবু ফকির, যুবদলের নেতা মো. জসিম মোল্লা, মনির কাজীসহ উপজেলা ও ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা এবং বিভিন্ন ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।