ফরিদপুরে মধ্যরাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে চুন্নু মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম এবং ইসমাইল মুন্সির ছেলে ফুহাদের মধ্যে চায়ের দোকানে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এর জের ধরে রাত গভীর হলে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলে এ সংঘর্ষ। এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় মাতুব্বরদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, আর গুরুতর আহতদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেও

ফরিদপুরে মধ্যরাতে টর্চলাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১২

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে ইটপাটকেল ও দেশীয় অস্ত্রের আঘাতে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার গোপীনাথপুর গ্রামের ইসমাইল মুন্সি ও চুন্নু মিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে চুন্নু মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম এবং ইসমাইল মুন্সির ছেলে ফুহাদের মধ্যে চায়ের দোকানে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। এর জের ধরে রাত গভীর হলে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র, লাঠিসোঁটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

টর্চলাইট জ্বালিয়ে প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলে এ সংঘর্ষ। এ সময় পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় মাতুব্বরদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, আর গুরুতর আহতদের নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, এ ধরনের কোনো সংঘর্ষের খবর এখনো আমাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আসেনি। কেউ অভিযোগ দিলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এন কে বি নয়ন/কেএইচকে/এমএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow