ফরিদপুরে সরকারি নীতিমালা অমান্য করে দুই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ! 

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফরিদপুর জিলা স্কুল ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় নীতিমালা অনুসরণ নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, গত ২৩ মে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণিতে শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে একটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে ফরিদপুর জিলা স্কুলেও কয়েকটি শ্রেণির শূন্য আসন পূরণে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বাছাইয়ের জন্য পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। সম্প্রতি, সরকার ২০২৭ সাল থেকে ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানালেও এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রজ্ঞাপন বা আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি হয়নি। এ অবস্থায় শূন্য আসন পূরণের ক্ষেত্রে পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করছেন, এ ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকলে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দূর হবে। ফরিদপুর

ফরিদপুরে সরকারি নীতিমালা অমান্য করে দুই স্কুলে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়ার অভিযোগ! 

ফরিদপুরের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফরিদপুর জিলা স্কুল ও সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় নীতিমালা অনুসরণ নিয়ে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, গত ২৩ মে সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিভিন্ন শ্রেণিতে শূন্য আসনে শিক্ষার্থী ভর্তির লক্ষ্যে একটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। একই সময়ে ফরিদপুর জিলা স্কুলেও কয়েকটি শ্রেণির শূন্য আসন পূরণে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে বাছাইয়ের জন্য পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রচলিত নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম লটারির মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়। সম্প্রতি, সরকার ২০২৭ সাল থেকে ভর্তি পরীক্ষা পুনরায় চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের কথা জানালেও এ বিষয়ে এখনো কোনো প্রজ্ঞাপন বা আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা জারি হয়নি।

এ অবস্থায় শূন্য আসন পূরণের ক্ষেত্রে পরীক্ষা গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও সচেতন মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ মনে করছেন, এ ধরনের প্রক্রিয়া অনুসরণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা থাকলে বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি দূর হবে।

ফরিদপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অমল কুমার সাহা বিডি২৪লাইভকে বলেন, বছরের শুরুতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। পরে ৫ম, ৭ম, ৮ম ও ৯ম শ্রেণিতে কিছু আসন শূন্য হওয়ায় কিছু শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে। তিনি বলেন, “জেলা প্রশাসকের কাছে অনেক আবেদন জমা পড়েছিল। আসন সংখ্যা সীমিত হওয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে একটি পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে।”

ফরিদপুর জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রীতিলতা সরকার বিডি২৪লাইভকে বলেন, “৫ম, ৭ম ও ৯ম শ্রেণিতে কিছু আসন খালি ছিল। জেলা প্রশাসক ভর্তি কমিটির সভাপতি এবং অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) বিষয়টি সমন্বয় করেছেন। আবেদনকারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সুস্মিতা সাহা বিডি২৪লাইভকে বলেন, “দুই স্কুলে ভর্তির জন্য অনেক আবেদন জমা পড়েছিল। খালি আসন পূরণের জন্য আবেদনকারীদের মধ্য থেকে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হয়েছে। সবাইকে ভর্তি করা সম্ভব না হওয়ায় একটি নির্দিষ্ট মূল্যায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করা হয়েছে। এটি প্রচলিত অর্থে ভর্তি পরীক্ষা ছিল না।”

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow