ফরিদপুর-২ মাওলানা আকরামকে শুভেচ্ছা জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন জামায়াতের প্রার্থী
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা হওয়ায় ফরিদপুর ২ আসনে (নগরকান্দা, সালথা উপজেলা) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা শাহ আকরাম আলীকে ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. সোহরাব হোসেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান। পোস্টে মাওলানা সোহরাব হোসেন লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ ইসলামী ঐক্যের স্বার্থে ফরিদপুর ২ আসনে জোটের পক্ষ থেকে আল্লামা শাহ আকরাম আলী হুজুর কে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করায় আমি হুজুরকে পূর্ণ সমর্থন করে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিলাম'। তার এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এদিকে ফরিদপুর ২ আসনের মনোনীত প্রার্থী শাহ আকরাম আলীর মুখপাত্র মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, জোট মনোনীত প্রার্থী আল্লামা শাহ আকরাম আলীর পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। আশা করি এই ঐক্যের মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন সম্ভব হবে। জাম
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১০ দলের সঙ্গে নির্বাচনি সমঝোতা হওয়ায় ফরিদপুর ২ আসনে (নগরকান্দা, সালথা উপজেলা) বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা শাহ আকরাম আলীকে ছেড়ে দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন জামায়াত ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. সোহরাব হোসেন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।
পোস্টে মাওলানা সোহরাব হোসেন লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ ইসলামী ঐক্যের স্বার্থে ফরিদপুর ২ আসনে জোটের পক্ষ থেকে আল্লামা শাহ আকরাম আলী হুজুর কে এমপি প্রার্থী ঘোষণা করায় আমি হুজুরকে পূর্ণ সমর্থন করে প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নিলাম'।
তার এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, ইসলামী দলগুলোর মধ্যে ঐক্য জোরদার করতে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এদিকে ফরিদপুর ২ আসনের মনোনীত প্রার্থী শাহ আকরাম আলীর মুখপাত্র মুফতি মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, জোট মনোনীত প্রার্থী আল্লামা শাহ আকরাম আলীর পক্ষে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। আশা করি এই ঐক্যের মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচনে কাঙ্ক্ষিত ফল অর্জন সম্ভব হবে। জামায়াত মনোনীত প্রার্থীর সরে দাঁড়ানো জোটের প্রার্থীর অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে এবং নির্বাচনী মাঠে নতুন সমীকরণ তৈরি করবে।
What's Your Reaction?