ফাইনালে কি নিষিদ্ধ হতে পারেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা, ফিফার নিয়ম কী বলছে?

বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর আর্জেন্টিনার আনন্দ উদযাপন নিয়ে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনাল জয়ের পর কয়েকজন আর্জেন্টাইন ফুটবলার ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনায় মালভিনাস নামে পরিচিত) ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা সংবলিত একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন।  ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, অফিসিয়াল ম্যাচে রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শন নিষিদ্ধ হওয়ায় এ ঘটনায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) এবং সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়রা। রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের ঘটনায় আগেও শাস্তি দিয়েছে ফিফা এ ধরনের ঘটনায় ফিফার শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে জাপানকে হারানোর পর দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবলার পার্ক জং-উ বিতর্কিত লিয়াংকোর্ট রকস (কোরিয়ায় ডকদো এবং জাপানে তাকেশিমা নামে পরিচিত) নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার দাবির সমর্থনে একটি ব্যানার প্রদর্শন করেছিলেন। যদিও ম্যাচটি শেষ হয়ে গিয়েছিল, তার পরও ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি তাকে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেয়নি। তার ১৭ সতীর্থ ব্রোঞ্জ পদক গ্রহণ করলেও পার্ক মঞ্চে পদক পাননি। পরে তাকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া

ফাইনালে কি নিষিদ্ধ হতে পারেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা, ফিফার নিয়ম কী বলছে?
বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পর আর্জেন্টিনার আনন্দ উদযাপন নিয়ে নতুন এক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনাল জয়ের পর কয়েকজন আর্জেন্টাইন ফুটবলার ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ (আর্জেন্টিনায় মালভিনাস নামে পরিচিত) ইস্যুতে রাজনৈতিক বার্তা সংবলিত একটি ব্যানার প্রদর্শন করেন।  ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, অফিসিয়াল ম্যাচে রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শন নিষিদ্ধ হওয়ায় এ ঘটনায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএ) এবং সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়রা। রাজনৈতিক বার্তা প্রদর্শনের ঘটনায় আগেও শাস্তি দিয়েছে ফিফা এ ধরনের ঘটনায় ফিফার শাস্তি দেওয়ার নজির রয়েছে। ২০১২ লন্ডন অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদকের ম্যাচে জাপানকে হারানোর পর দক্ষিণ কোরিয়ার ফুটবলার পার্ক জং-উ বিতর্কিত লিয়াংকোর্ট রকস (কোরিয়ায় ডকদো এবং জাপানে তাকেশিমা নামে পরিচিত) নিয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার দাবির সমর্থনে একটি ব্যানার প্রদর্শন করেছিলেন। যদিও ম্যাচটি শেষ হয়ে গিয়েছিল, তার পরও ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি তাকে পদক বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেয়নি। তার ১৭ সতীর্থ ব্রোঞ্জ পদক গ্রহণ করলেও পার্ক মঞ্চে পদক পাননি। পরে তাকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে দুই ম্যাচের নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া হয়। ফিফার নিয়ম কী বলছে? ফিফার ডিসিপ্লিনারি কোড এবং লজ অব দ্য গেম অনুযায়ী, অফিসিয়াল প্রতিযোগিতায় মাঠে বা স্টেডিয়ামের ভেতরে রাজনৈতিক, ধর্মীয় কিংবা ব্যক্তিগত বার্তা প্রদর্শন নিষিদ্ধ। এ ধরনের ঘটনায় এর আগেও শাস্তি পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ২০১৪ সালে ‘Las Malvinas son Argentinas’ (বাংলায়: মালভিনাস বা ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার) লেখা একটি ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনকে জরিমানা করেছিল ফিফা। ফাইনালে কি নিষিদ্ধ হতে পারেন আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা? ঘটনাটি নিয়ে ফিফা তদন্ত শুরু করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সবচেয়ে সম্ভাব্য শাস্তি হতে পারে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের বিরুদ্ধে আর্থিক জরিমানা। তবে ব্যানার প্রদর্শনে অংশ নেওয়া খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধেও ব্যক্তিগত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তবে বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে সময় খুবই কম এবং একাধিক খেলোয়াড় এ ঘটনায় জড়িত থাকায় তাদের নিষিদ্ধ করার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত ফিফা এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা বিবৃতি দেয়নি। ফলে আর্জেন্টিনার কোনো খেলোয়াড় ফাইনালে নিষিদ্ধ হবেন কি না, নাকি বিষয়টি কেবল জরিমানার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে— তা এখনো অনিশ্চিত।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow