ফাইনাল শুরুর আগে জমজমাট সমাপনী অনুষ্ঠান

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চের আগে চোখধাঁধানো আয়োজন। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেন মাঠে নামার আগেই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম পরিণত হয়েছিল তারকাদের মিলনমেলায়। ফুটবলের কিংবদন্তি থেকে শুরু করে হলিউড ও সংগীতজগতের বিশ্বখ্যাত তারকারা অংশ নেন ফিফার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। ফাইনাল শুরুর আগে স্টেডিয়ামের আলো কেড়ে নেন কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা। তার পরিবেশনার মধ্য দিয়েই শুরু হয় বিশ্বকাপ ফাইনালের জমকালো অনুষ্ঠান। এরপর মঞ্চে ওঠেন ব্রিটিশ গায়ক রবি উইলিয়ামস। তার সঙ্গে পারফর্ম করেন মার্কিন গায়িকা নিকোল শেরজিঙ্গার এবং ইতালিয়ান সংগীতশিল্পী লরা পাউসিনি। তিন শিল্পীর পরিবেশনায় ফিফার অফিসিয়াল সংগীত গেয়ে স্টেডিয়াম মাতিয়ে তোলেন তারা। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় গায়িকা জেনিফার হাডসন। পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে সম্মান জানায় স্বাগতিক দেশের জাতীয় সংগীতকে। অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহূর্তগুলোর একটি ছিল বিশ্বকাপ ট্রফি মাঠে আনা। স্পেনের ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা এবং আর্জেন্টিনার ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি মারিও কেম্পেস যৌথ

ফাইনাল শুরুর আগে জমজমাট সমাপনী অনুষ্ঠান

বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চের আগে চোখধাঁধানো আয়োজন। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও স্পেন মাঠে নামার আগেই নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়াম পরিণত হয়েছিল তারকাদের মিলনমেলায়। ফুটবলের কিংবদন্তি থেকে শুরু করে হলিউড ও সংগীতজগতের বিশ্বখ্যাত তারকারা অংশ নেন ফিফার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে।

ফাইনাল শুরুর আগে স্টেডিয়ামের আলো কেড়ে নেন কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা। তার পরিবেশনার মধ্য দিয়েই শুরু হয় বিশ্বকাপ ফাইনালের জমকালো অনুষ্ঠান। এরপর মঞ্চে ওঠেন ব্রিটিশ গায়ক রবি উইলিয়ামস। তার সঙ্গে পারফর্ম করেন মার্কিন গায়িকা নিকোল শেরজিঙ্গার এবং ইতালিয়ান সংগীতশিল্পী লরা পাউসিনি। তিন শিল্পীর পরিবেশনায় ফিফার অফিসিয়াল সংগীত গেয়ে স্টেডিয়াম মাতিয়ে তোলেন তারা।

এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন জনপ্রিয় গায়িকা জেনিফার হাডসন। পুরো স্টেডিয়াম দাঁড়িয়ে সম্মান জানায় স্বাগতিক দেশের জাতীয় সংগীতকে।

Closing

অনুষ্ঠানের সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহূর্তগুলোর একটি ছিল বিশ্বকাপ ট্রফি মাঠে আনা। স্পেনের ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা এবং আর্জেন্টিনার ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি মারিও কেম্পেস যৌথভাবে ট্রফি নিয়ে মাঠে প্রবেশ করেন। তাদের সঙ্গে ছিলেন স্পেনের টেনিস সুপারস্টার কার্লোস আলকারাজও।

বিশেষভাবে তৈরি লুই ভুইতঁর ট্রফি কেসে করে বিশ্বকাপের ট্রফি মাঠে আনা হয়। ট্রফি প্রদর্শনের পর সেটি মঞ্চে রাখা হলে দর্শকদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন হলিউড তারকা টম ক্রুজ।

ফুটবলকে ঐক্য ও মানবতার প্রতীক হিসেবে তুলে ধরে বক্তব্য দেন ‘মিশন: ইম্পসিবল’ খ্যাত এই অভিনেতা। যদিও তার দীর্ঘ বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেক সমর্থক মনে করেন, ফাইনালের আগে অতিরিক্ত আনুষ্ঠানিকতা কিছুটা দীর্ঘ হয়ে গেছে।

ফাইনাল দেখতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে বুলেটপ্রুফ গ্লাসে ঘেরা বিশেষ ভিআইপি বক্সে বসে তিনি ম্যাচ উপভোগ করেন।

Closing

সব আয়োজন শেষে মাঠে প্রবেশ করে দুই দল। ঐতিহ্যবাহী লাল জার্সিতে স্পেন এবং আকাশি-সাদা ডোরাকাটা জার্সিতে আর্জেন্টিনা মাঠে নামলে স্টেডিয়ামজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আবহ।

প্রথমে বাজানো হয় স্পেনের জাতীয় সংগীত 'মার্চা রিয়াল'। এরপর হাজারো আর্জেন্টাইন সমর্থকের কণ্ঠে গর্জে ওঠে 'হিমনো নাসিওনাল আর্জেন্টিনো'। দুই দলের খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীতের সময় আবেগঘন মুহূর্ত উপভোগ করেন।

সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে শেষ পর্যন্ত শুরু হয় বহুল প্রতীক্ষিত বিশ্বকাপ ফাইনাল। একদিকে ইউরোপের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন স্পেন, অন্যদিকে দক্ষিণ আমেরিকা ও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা- ফুটবল বিশ্বের দুই পরাশক্তির লড়াইয়ে চোখ ছিল গোটা বিশ্বের।

আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow