ফাইনাল হারলেও লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ঘিরে শহরজুড়ে উৎসব

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও দেশের মানুষের কাছে দারুণ সম্মান পাচ্ছেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সদস্যরা। দেশে ফেরার পর রাজধানী বুয়েন্স এইরেসে বিশ্বকাপ রানার্সআপদের দারুণ অভ্যর্থনা জানায় দেশটির জনগণ। এবার নিজ শহর গুয়ালগুয়েতে বীরের সম্মান পেলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সদস্য লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। রোববার নিজের শহরে পৌঁছালে হাজারো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। তার আগমনে আয়োজন করা হয় এক বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। তাকে মঞ্চে তুলে সংবর্ধিত করা হয়। পরে তিনি সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, আলিঙ্গন, ছবি তোলেন এবং অটোগ্রাফ দেন। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মার্তিনেজ বলেন, ‘নিজের শিকড়ে ফিরে আসা, যাদের সঙ্গে বড় হয়েছি তাদের সঙ্গে সময় কাটানো, এর চেয়ে বড় অনুভূতি আর হতে পারে না। এটি আমার জন্য খুবই বিশেষ একটি মুহূর্ত।’ বিশ্বকাপের স্মৃতি এখনও যেন অবিশ্বাস্য মনে হয় বলে জানান তিনি। মার্তিনেজ বলেন, ‘সবকিছু যেন অবাস্তব মনে হচ্ছে, যেন ঘটনাগুলো ঘটেইনি। তবে জীবনে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, সেই স্বপ্নের পেছনে ছুটতে হবে এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।’ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে ‘ইলাস্ট্রিয়া

ফাইনাল হারলেও লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে ঘিরে শহরজুড়ে উৎসব

টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপ জিততে না পারলেও দেশের মানুষের কাছে দারুণ সম্মান পাচ্ছেন আর্জেন্টাইন বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সদস্যরা। দেশে ফেরার পর রাজধানী বুয়েন্স এইরেসে বিশ্বকাপ রানার্সআপদের দারুণ অভ্যর্থনা জানায় দেশটির জনগণ।

এবার নিজ শহর গুয়ালগুয়েতে বীরের সম্মান পেলেন আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্কোয়াডের সদস্য লিসান্দ্রো মার্তিনেজ। রোববার নিজের শহরে পৌঁছালে হাজারো মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। তার আগমনে আয়োজন করা হয় এক বিশাল সংবর্ধনা অনুষ্ঠান। তাকে মঞ্চে তুলে সংবর্ধিত করা হয়। পরে তিনি সমর্থকদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়, আলিঙ্গন, ছবি তোলেন এবং অটোগ্রাফ দেন।

সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মার্তিনেজ বলেন, ‘নিজের শিকড়ে ফিরে আসা, যাদের সঙ্গে বড় হয়েছি তাদের সঙ্গে সময় কাটানো, এর চেয়ে বড় অনুভূতি আর হতে পারে না। এটি আমার জন্য খুবই বিশেষ একটি মুহূর্ত।’

বিশ্বকাপের স্মৃতি এখনও যেন অবিশ্বাস্য মনে হয় বলে জানান তিনি। মার্তিনেজ বলেন, ‘সবকিছু যেন অবাস্তব মনে হচ্ছে, যেন ঘটনাগুলো ঘটেইনি। তবে জীবনে বড় স্বপ্ন দেখতে হবে, সেই স্বপ্নের পেছনে ছুটতে হবে এবং নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে।’

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাকে ‘ইলাস্ট্রিয়াস সিটিজেন’ ঘোষণা করা হয়। এর মানে হলো সম্মানিত নাগরিক। সংবর্ধনার স্থানে সকাল থেকেই হাজার-হাজার মানুষ জড়ো হতে শুরু করে। সকল বয়সী মানুষ সেখানে উপস্থিত হয় তাকে এক নজর দেখার জন্য কিংবা তাকে স্বাগত জানাতে।

আবেগঘন বক্তব্যে মার্তিনেজ বলেন, ‘শিরোপা জয়ের সময়ও আমি এখানে এসেছিলাম। এবার দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা সেটা আবার করতে পারিনি।’ এই কথা বলতে গিয়ে তার কণ্ঠ ভারী হয়ে আসে।

আইএন

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow