ফার্নিচার খাতের টেকসই প্রবৃদ্ধিতে ভ্যাট-ট্যাক্স কমানোর প্রস্তাব
দেশের সম্ভাবনাময় আসবাবপত্র (ফার্নিচার) শিল্পকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি। সমিতির পক্ষ থেকে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো, ভ্যাট ব্যবস্থার সহজীকরণ এবং করপোরেট ট্যাক্স যৌক্তিক করার দাবি জানানো হয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন সমিতির নেতারা। চিঠিতে বলা হয়, দেশের ফার্নিচার শিল্প প্রধানত আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উচ্চ আমদানিশুল্ক ও এইচএস কোড সংক্রান্ত জটিলতা, যা দেশীয় শিল্পকে অসম প্রতিযোগিতার মুখে ফেলছে। সংগঠনটি আমদানি করা কাঁচামালের এইচএস কোড সুনির্দিষ্ট করা এবং মূল্যায়ন সংক্রান্ত জটিলতা দূর করার দাবি জানিয়েছে। তারা বলছে, এ দাবি বাস্তবায়ন হলে উদ্যোক্তারা দীর্ঘসূত্রিতা থেকে মুক্তি পাবেন। আসবাবপত্র উৎপাদনে
দেশের সম্ভাবনাময় আসবাবপত্র (ফার্নিচার) শিল্পকে টেকসই প্রবৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সক্ষম করে তুলতে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে একগুচ্ছ প্রস্তাবনা দিয়েছে বাংলাদেশ ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতি।
সমিতির পক্ষ থেকে কাঁচামাল আমদানিতে শুল্ক কমানো, ভ্যাট ব্যবস্থার সহজীকরণ এবং করপোরেট ট্যাক্স যৌক্তিক করার দাবি জানানো হয়েছে।
সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন সমিতির নেতারা।
চিঠিতে বলা হয়, দেশের ফার্নিচার শিল্প প্রধানত আমদানিকৃত কাঁচামালের ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু করোনা মহামারি, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচামালের দাম ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে উচ্চ আমদানিশুল্ক ও এইচএস কোড সংক্রান্ত জটিলতা, যা দেশীয় শিল্পকে অসম প্রতিযোগিতার মুখে ফেলছে।
সংগঠনটি আমদানি করা কাঁচামালের এইচএস কোড সুনির্দিষ্ট করা এবং মূল্যায়ন সংক্রান্ত জটিলতা দূর করার দাবি জানিয়েছে। তারা বলছে, এ দাবি বাস্তবায়ন হলে উদ্যোক্তারা দীর্ঘসূত্রিতা থেকে মুক্তি পাবেন।
আসবাবপত্র উৎপাদনের সময় সৃষ্ট বর্জ্য নিজস্ব কারখানায় পুনর্ব্যবহার (রিসাইক্লিং) করলে ভ্যাট সমন্বয় পদ্ধতি সহজ করার প্রস্তাব দিয়েছে সংগঠনটি। বর্তমানে উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট বিদ্যমান থাকলেও তা কমিয়ে ২ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে খুচরা বিক্রয় পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩ শতাংশ নির্ধারণের দাবি জানানো হয়েছে।
ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে গ্রস প্রফিটের ওপর করের সীমা পুনর্নির্ধারণের প্রস্তাব দিয়েছে সমিতি। তাদের মতে, এতে শিল্পে নতুন বিনিয়োগ বাড়বে।
সমিতির দাবি, শুল্ক ও কর কমানো হলে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাবে। ফলে সাধারণ ক্রেতারা তুলনামূলক কম দামে আসবাবপত্র কিনতে পারবেন। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে, যা ভবিষ্যতে রপ্তানি আয়ের নতুন খাত হিসেবে গড়ে উঠতে পারে।
এসএম/এমকেআর
What's Your Reaction?