ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিনে এ উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে। রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে বাগমারা বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কুমিল্লার ১৭তম উপজেলা হিসেবে লালমাইয়ের কার্যক্রম শুরু হলেও গত প্রায় এক দশকেও এখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জন্য কোনো স্থায়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন গড়ে ওঠেনি। ফলে উপজেলা সদরসহ আশপাশের হাটবাজার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানাগুলো সবসময় অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ বা লাকসাম উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়। প্রতিবছরই অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পুড়ে নষ্ট হচ্ছে। সম্প্রতি উপজেলার রমাবল্লবপুর এলাকায় অগ্নি
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। দীর্ঘদিনে এ উপজেলায় কোনো ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও ক্ষোভ দিন দিন বাড়ছে।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে বাগমারা বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন শিক্ষার্থী, শিক্ষক, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, সামাজিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং গণমাধ্যমকর্মীরা।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালে কুমিল্লার ১৭তম উপজেলা হিসেবে লালমাইয়ের কার্যক্রম শুরু হলেও গত প্রায় এক দশকেও এখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থার জন্য কোনো স্থায়ী ফায়ার সার্ভিস স্টেশন গড়ে ওঠেনি। ফলে উপজেলা সদরসহ আশপাশের হাটবাজার, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প কারখানাগুলো সবসময় অগ্নিঝুঁকিতে রয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কোথাও অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটলে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ বা লাকসাম উপজেলা থেকে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি আসতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। এতে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে যায়। প্রতিবছরই অগ্নিকাণ্ডে বিপুল পরিমাণ সম্পদ পুড়ে নষ্ট হচ্ছে।
সম্প্রতি উপজেলার রমাবল্লবপুর এলাকায় অগ্নিকাণ্ডে চারটি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। একইভাবে বাগমারার চেঙ্গাহাটা এলাকায় হারুন সর্দারের বসতঘর আগুনে ভস্মীভূত হয়েছে। এ ছাড়া বাগমারা ও ভূশ্চি বাজারে আগুন লাগার ঘটনায় বহু দোকানপাট পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
ব্যবসায়ীদের দাবি, ফায়ার সার্ভিস সময়মতো পৌঁছাতে না পারায় ক্ষতির পরিমাণ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হলে এসব ক্ষয়ক্ষতি অনেকাংশে কমানো সম্ভব হতো।
উপজেলায় সরকারি ও বেসরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার সংখ্যাও কম নয়। এর মধ্যে রয়েছে লালমাই থানা (অস্থায়ী কার্যালয়), পল্লী বিদ্যুতের জোনাল অফিস, ২০ শয্যার সরকারি হাসপাতাল, বিভিন্ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র, বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শিল্প প্রতিষ্ঠান ও শতাধিক উৎপাদনমুখী কারখানা। পাশাপাশি রয়েছে অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বহুতল ভবন, যা অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকিকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন লালমাই প্রেস ক্লাবের সভাপতি ড. শাহজাহান মজুমদার। তিনি বলেন, লালমাইয়ে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এখন সময়ের দাবি। প্রতিনিয়ত মানুষের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান আগুনে পুড়ে যাচ্ছে। দ্রুত এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
মানববন্ধন শেষে দ্রুত ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান অংশগ্রহণকারীরা।
What's Your Reaction?