ফুটপাতের ইফতারিতেও নামিদামি ব্র্যান্ড 

ফুটপাতের বলে সবই নিম্নমানের—এমন ধারণা পাল্টে গেছে এবারের ইফতারি বাজারে। নামিদামি ব্র্যান্ডের রেস্টুরেন্টও ইফতারি সামগ্রী বেচতে নেমেছে ফুটপাতে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর ১০, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।  মিরপুর ১০ গোল চত্বর থেকে কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া এলাকায় দেখা মিলেছে নানা ধরনের ইফতারি সামগ্রীর দোকান। এর মধ্যে কয়েক টেবিল নিয়ে ফুটপাতে বসা অখ্যাত দোকানি, ভ্যানের ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা, ছোট টুল নিয়ে বসা ছোট দোকানির পাশাপাশি নামিদামি ব্র্যান্ডও আছে। নিজেদের রেস্টুরেন্টের সামনে তারাও বাহারী ইফতারি সামগ্রী নিয়ে বসেছে। ক্রেতার চাপও লক্ষ্য করা বেশ।  মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে আল বারাকাহ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, মুসলিম সুইটস অ্যান্ড বেকারি, বনলতা সুইটস, ইসলাম ফুডস, শাহী খানা বাসমতি রেস্টুরেন্ট এবং সুইটস লাভারকে দোকানের সামনেই বিশাল পসরা সাজিয়ে ইফতারি সামগ্রী বিক্রি করতে দেখা গেছে।  এত বড় দোকান ছেড়ে ফুটপাতে কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ব্যস্ত বিক্রয় কর্মী জামাল জানান, ইফতারি সামগ্রী বিক্রির সময় তো খুবই কম। অফিস থেকে ফেরার বা বাসায় যাওয়ার পথে মানুষ দোকানের ভে

ফুটপাতের ইফতারিতেও নামিদামি ব্র্যান্ড 

ফুটপাতের বলে সবই নিম্নমানের—এমন ধারণা পাল্টে গেছে এবারের ইফতারি বাজারে। নামিদামি ব্র্যান্ডের রেস্টুরেন্টও ইফতারি সামগ্রী বেচতে নেমেছে ফুটপাতে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর মিরপুর ১০, কাজীপাড়া ও শেওড়াপাড়া এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
 
মিরপুর ১০ গোল চত্বর থেকে কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া এলাকায় দেখা মিলেছে নানা ধরনের ইফতারি সামগ্রীর দোকান। এর মধ্যে কয়েক টেবিল নিয়ে ফুটপাতে বসা অখ্যাত দোকানি, ভ্যানের ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা, ছোট টুল নিয়ে বসা ছোট দোকানির পাশাপাশি নামিদামি ব্র্যান্ডও আছে। নিজেদের রেস্টুরেন্টের সামনে তারাও বাহারী ইফতারি সামগ্রী নিয়ে বসেছে। ক্রেতার চাপও লক্ষ্য করা বেশ।
 
মিরপুর ১০ নম্বর গোল চত্বরে আল বারাকাহ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, মুসলিম সুইটস অ্যান্ড বেকারি, বনলতা সুইটস, ইসলাম ফুডস, শাহী খানা বাসমতি রেস্টুরেন্ট এবং সুইটস লাভারকে দোকানের সামনেই বিশাল পসরা সাজিয়ে ইফতারি সামগ্রী বিক্রি করতে দেখা গেছে। 

এত বড় দোকান ছেড়ে ফুটপাতে কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ব্যস্ত বিক্রয় কর্মী জামাল জানান, ইফতারি সামগ্রী বিক্রির সময় তো খুবই কম। অফিস থেকে ফেরার বা বাসায় যাওয়ার পথে মানুষ দোকানের ভেতরে ঢুকতে চায় না। চলতি পথে রাস্তা থেকেই কিনতে পছন্দ করেন। আর অল্প সময়ে মানুষের চাপ বেশি থাকে। সেটি ভেতরে সামাল দেওয়া মুশকিল। তাই খোলা পথেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন তারা। 
jagonews24.comইফতারি সামগ্রী বিক্রি করছে দেশীয় ব্র্যান্ড টেস্টি ট্রিট/ছবি: জাগো নিউজ

কাজীপাড়ায় চোখে পড়েছে দেশীয় ব্র্যান্ড টেস্টি ট্রিটকেও। তারাও স্বাভাবিক সময়ের বিক্রির বাইরে ফুটপাতে বিক্রি করছেন ইফতারি সামগ্রী। তাদের ছোলা ১০০ গ্রাম ৪০ টাকা, বিফ হালিম ২১০ গ্রাম ১৫০ টাকা, চিকেন হালিম ১২০ টাকা, স্প্রিং রোল ৫০ টাকা, ডিম চাপ ৩০ টাকা, কাস্টার্ড ১০০ টাকা, বেকড ইয়োগার্ড ১০০ টাকা, জালি কাবাব ৬০ টাকা, বেগুনি ১৫ টাকা, চিকেন রোল ৫০ টাকা, সাসলিক ৮০ টাকা, ভেজিটেবল পাকোড়া ১৫ টাকা, আলুর চপ ১৫ টাকা এবং পেয়াজু ১৫ টাকা। 

টেস্টি ট্রিটের এক বিক্রয়কর্মী বলেন, আমাদের পণ্য সুরক্ষিত। দোকানের ভেতরে যেভাবে রাখি বাইরেও সেভাবে রাখা হয়েছে। মানুষও এভাবেই পছন্দ করছে। 
 
বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভাণ্ডার, ভাগ্যকুল সুইটসসহ বিভিন্ন মিষ্টান্ন বিক্রেতারাও যোগ দিয়েছেন ফুটপাতে ইফতারি বিক্রিতে। তারাও বলছেন, মৌসুমী ব্যবসা এটি। মানুষের চাহিদা অনুযায়ী সেবা দিচ্ছেন।
 
শেওড়াপাড়ায় চোখে পড়েছে স্থানীয় জনপ্রিয় শেফ’স রুফটপও নিচে নেমে ফুটপাতে ইফতারি সামগ্রী বিক্রি করছে। তাদের দই বড়া ৫০ টাকা, জালি কাবাব ৬০ টাকা, আস্ত রোস্ট ৬০০ টাকা, চিকেন বঁটি কাবাব ১৮০ টাকা, শোলে কাবাব ২৮০ টাকা, হারিয়ালি কাবাব ২৮০ টাকা, আচারী চিকেন ২৮০ টাকা, চিকেন চাপ ১৬০ টাকা, গ্রিল চিকেন ১৪০ টাকা, মিঠাইপুরি ৫০ টাকা ও টুনা ফিশ ১২০ টাকা।  

jagonews24.comইফতারি সামগ্রী কিনতে মানুষের ভিড়/ছবি: জাগো নিউজ

এছাড়া পেঁয়াজু, আলু ও বেগুনির চপ প্রতিপিস ১০ টাকা করে। শরবত আইটেমের মধ্যে প্ল্যাস্টিকের বড় গ্লাসপ্যাকে লাচ্ছি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়। বিভিন্ন সাইজের বাটিতে হালিম বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত। ফিরনি ৫০ টাকা। তবে পাশেই ইক্বরা রেস্টুরেন্টকে তাদের দোকানের ভেতরেই ইফতার সামগ্রী বিক্রি করতে দেখা গেছে। সেখানেও দেখা গেছে ক্রেতাদের দীর্ঘ সারি।
 
এসইউজে/এমএমকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow