ফুলপুরে ১০০ বস্তা সার জব্দ, সরকারি মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত ও বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা ১০০ বস্তা সরকারি বিএডিসির ডিএপি পটাশ সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। জব্দকৃত সার পরবর্তীতে সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হয়েছে। রোববার (১৮ জানুয়ারি/২৬) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফুলপুর উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়ন বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিএডিসির ডিএপি সার ভর্তি একটি ট্রলি দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় জনগণ ট্রলিটি আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুস্তাক আহমেদ ও সাইফুল ইসলামকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাদিয়া ফেরদৌসি ও সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় সার পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বৈধ কাগজপত্র কিংবা মালিকানা প্রমাণ না পাওয়ায় ১০০ বস্তা (প্রতি বস্তা ৫০ কেজি) সরকারি ডিএপি পটাশ সার জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত সার বাজেয়াপ্ত করে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হয়। এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুল হাসান কামু জ

ফুলপুরে ১০০ বস্তা সার জব্দ, সরকারি মূল্যে কৃষকদের মাঝে বিক্রি

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় অবৈধভাবে মজুত ও বিক্রির উদ্দেশ্যে আনা ১০০ বস্তা সরকারি বিএডিসির ডিএপি পটাশ সার জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন। জব্দকৃত সার পরবর্তীতে সরকার নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হয়েছে।

রোববার (১৮ জানুয়ারি/২৬) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফুলপুর উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়ন বাজার সংলগ্ন এলাকায় বিএডিসির ডিএপি সার ভর্তি একটি ট্রলি দীর্ঘ সময় অবস্থান করতে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হয়। পরে স্থানীয় জনগণ ট্রলিটি আটক করে তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মুস্তাক আহমেদ ও সাইফুল ইসলামকে বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাদিয়া ফেরদৌসি ও সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এ সময় সার পরিবহনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো বৈধ কাগজপত্র কিংবা মালিকানা প্রমাণ না পাওয়ায় ১০০ বস্তা (প্রতি বস্তা ৫০ কেজি) সরকারি ডিএপি পটাশ সার জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত সার বাজেয়াপ্ত করে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে স্থানীয় সাধারণ কৃষকদের মাঝে বিক্রি করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুল হাসান কামু জানান, সারটির প্রকৃত মালিককে শনাক্ত করা না যাওয়ায় কারও বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়নি। তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে—সারগুলো ময়মনসিংহ সদর উপজেলার বোররচর ইউনিয়ন থেকে অবৈধভাবে সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে ফুলপুর উপজেলার ভাইটকান্দি বাজারে আনা হচ্ছিল।তিনি বলেন, “সরকারি সার যাতে কোনোভাবেই অবৈধভাবে মজুত বা কালোবাজারে বিক্রি না হয়, সে বিষয়ে কৃষি বিভাগের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow