ফুলবাড়ীতে আঙুর চাষে বা‌জিমাত, ৪৫ মণ উৎপাদনের আশা

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিদেশি ‘বাইনুর’ জাতের আঙুর চাষ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন কৃষি উদ্যোক্তা রুহুল আমীন ও হাসেম আলী। তাদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা আঙুর বাগানটি এরই মধ্যে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় কৃষকদের মাঝে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে। জানা গে‌ছে, উপজেলার গংগাহাট বাজার সংলগ্ন আজোয়াটারী এলাকায় ২ বিঘা জমিতে প্রায় ১ দশকের পরিশ্রমে গড়ে উঠেছে বাগানটি। বর্তমানে সেখানে আছে ৪৬০টি আঙুর গাছ। ২০১৭ সালে ৪০টি চারা দিয়ে শুরু হওয়া এ উদ্যোগে ২০২২ সাল থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। প্রথম বছর ৫ মণ আঙুর বিক্রির পর উৎপাদন বেড়ে ২০২৫ সালে ২০ মণে পৌঁছায়। চলতি বছর ৬০টি গাছ থেকে ৪০-৪৫ মণ আঙুর উৎপাদনের আশা করছেন উদ্যোক্তারা। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা। বাগানে বাইনুর ছাড়াও বিদেশি জাতের বিভিন্ন আঙুর ও ৩০০টির বেশি ফলদ গাছ আছে। প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা বাগানটি দেখতে আসেন। অনেকেই চারা সংগ্রহ করে আঙুর চাষে আগ্রহী হচ্ছেন। আরও পড়ুনলিচু ফুলের মধু সংগ্রহে মঙ্গলবাড়ীয়ায় মৌ খামারিদের ব্যস্ততা  এ বিষ‌য়ে উদ্যোক্তা হাসেম আলী জানান, বিদেশ থেকে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহ করে শুরুতে নানা চ্যা

ফুলবাড়ীতে আঙুর চাষে বা‌জিমাত, ৪৫ মণ উৎপাদনের আশা

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে বিদেশি ‘বাইনুর’ জাতের আঙুর চাষ করে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন কৃষি উদ্যোক্তা রুহুল আমীন ও হাসেম আলী। তাদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা আঙুর বাগানটি এরই মধ্যে এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। স্থানীয় কৃষকদের মাঝে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করেছে।

জানা গে‌ছে, উপজেলার গংগাহাট বাজার সংলগ্ন আজোয়াটারী এলাকায় ২ বিঘা জমিতে প্রায় ১ দশকের পরিশ্রমে গড়ে উঠেছে বাগানটি। বর্তমানে সেখানে আছে ৪৬০টি আঙুর গাছ। ২০১৭ সালে ৪০টি চারা দিয়ে শুরু হওয়া এ উদ্যোগে ২০২২ সাল থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হয়। প্রথম বছর ৫ মণ আঙুর বিক্রির পর উৎপাদন বেড়ে ২০২৫ সালে ২০ মণে পৌঁছায়।

চলতি বছর ৬০টি গাছ থেকে ৪০-৪৫ মণ আঙুর উৎপাদনের আশা করছেন উদ্যোক্তারা। যার সম্ভাব্য বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা। বাগানে বাইনুর ছাড়াও বিদেশি জাতের বিভিন্ন আঙুর ও ৩০০টির বেশি ফলদ গাছ আছে। প্রতিদিনই দর্শনার্থীরা বাগানটি দেখতে আসেন। অনেকেই চারা সংগ্রহ করে আঙুর চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

angur

এ বিষ‌য়ে উদ্যোক্তা হাসেম আলী জানান, বিদেশ থেকে উন্নত জাতের চারা সংগ্রহ করে শুরুতে নানা চ্যালেঞ্জ থাকলেও ধৈর্য ও পরিশ্রমের মাধ্যমে সাফল্য এসেছে।

আরেক উদ্যোক্তা রুহুল আমীন বলেন, ‘বাগান গড়ে তুলতে এখন পর্যন্ত ১২-১৩ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। আঙুরের পাশাপাশি চারা বিক্রিতেও ভালো আয় হচ্ছে।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. নিলুফা ইয়াছমিন জাগো নিউজকে বলেন, ‘এ উদ্যোগ স্থানীয় কৃষিতে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত আছে।’

রোকনুজ্জামান মানু/এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow