ফেনী স্টেশনে আটকা চট্টলা এক্সপ্রেস, ভোগান্তিতে ৮০০ যাত্রী
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি ও ধোঁয়ার কারণে ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে আটকা পড়েছে প্রায় ৮০০ যাত্রী। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ট্রেনটি ফেনী স্টেশনে প্রবেশের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ধোঁয়ার সংস্পর্শে ট্রেনের এক সহকারী লোকোমাস্টার (এএলএম) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে ফেনী স্টেশনে প্রবেশ করে। এ সময় হঠাৎ ট্রেনের ইঞ্জিনের ‘ট্যাবলেট কভার’ (ছোট চেম্বারের ঢাকনা) থেকে প্রচুর ধোঁয়া বের হতে থাকে। ইঞ্জিনের এই ত্রুটি পরীক্ষা করতে গিয়ে ট্রেনের সহকারী লোকোমাস্টার মোহাম্মদ কাওসার ধোঁয়ায় আক্রান্ত হন। এতে তার মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অসুস্থ কাওসারকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মাদ রুবাইয়াত বিন করিম জানান, ধোঁয়ায় রেলকর্মীর শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল
ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের ইঞ্জিনে যান্ত্রিক ত্রুটি ও ধোঁয়ার কারণে ফেনী রেলওয়ে স্টেশনে আটকা পড়েছে প্রায় ৮০০ যাত্রী।
মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ট্রেনটি ফেনী স্টেশনে প্রবেশের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ধোঁয়ার সংস্পর্শে ট্রেনের এক সহকারী লোকোমাস্টার (এএলএম) গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।
রেলওয়ে কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রাম থেকে ঢাকামুখী চট্টলা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ৭টা ৫০ মিনিটের দিকে ফেনী স্টেশনে প্রবেশ করে। এ সময় হঠাৎ ট্রেনের ইঞ্জিনের ‘ট্যাবলেট কভার’ (ছোট চেম্বারের ঢাকনা) থেকে প্রচুর ধোঁয়া বের হতে থাকে। ইঞ্জিনের এই ত্রুটি পরীক্ষা করতে গিয়ে ট্রেনের সহকারী লোকোমাস্টার মোহাম্মদ কাওসার ধোঁয়ায় আক্রান্ত হন। এতে তার মুখমণ্ডল ও শ্বাসনালি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
অসুস্থ কাওসারকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ও ফেনীর সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মাদ রুবাইয়াত বিন করিম জানান, ধোঁয়ায় রেলকর্মীর শ্বাসনালি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ইঞ্জিন বিকল হয়ে দীর্ঘক্ষণ ট্রেনটি স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েন কয়েকশ যাত্রী। মোস্তফা কামাল নামের এক যাত্রী জানান, দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থেকে তারা জানতে পারেন ইঞ্জিনের ত্রুটির কথা। অনেক যাত্রী গন্তব্যে পৌঁছাতে ট্রেনের টিকিট ফেরত দিয়ে বিকল্প উপায়ে সড়কপথে রওনা হয়েছেন।
ফেনী রেলস্টেশনের স্টেশনমাস্টার মোহাম্মদ হারুন জানান, লাকসাম থেকে একটি রিলিফ (উদ্ধারকারী) ইঞ্জিন আসার কথা রয়েছে। সেটি পৌঁছালে ট্রেনটি পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও যাত্রীদের তথ্য জানাতে স্টেশনে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে।
তবে আশার কথা হলো, চট্টলা এক্সপ্রেসটি প্ল্যাটফর্মে আটকা থাকলেও পাশের দুটি লাইন সচল থাকায় এই রুটে অন্যান্য ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই ইঞ্জিনের এই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু করেছে।
What's Your Reaction?