ফের ৪ দিনের রিমান্ডে ডিজিএফআইয়ের মাঞ্জিল
সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে দ্বিতীয় দফায় আরও ৪ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। রোববার (২৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে আরও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতে দাবি করেন, তার মক্কেল দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে তিনি হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের ঘনিষ্ঠ ছিল
সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে দ্বিতীয় দফায় আরও ৪ দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।
রোববার (২৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রমনা গোয়েন্দা বিভাগের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি দিয়ে বলেন, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে, তবে তদন্তের স্বার্থে আরও নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
অন্যদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতে দাবি করেন, তার মক্কেল দীর্ঘদিন সেনাবাহিনীতে নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং বর্তমানে তিনি হৃদরোগসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ৪ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়, মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরী সাবেক প্রধানমন্ত্রীর সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এই সুবাদে তিনি বিগত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনে নেপথ্যে ভূমিকা রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে অস্থিতিশীল করতে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে ষড়যন্ত্র এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে অর্থ ও অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগও আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।
গত ৯ এপ্রিল মহাখালী ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল হায়দারকে গ্রেপ্তার করা হয়। ১৯ জুলাই নীলক্ষেত এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে প্রথমে ১২ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। এরপর রমনা থানায় দায়ের করা সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গত ২১ এপ্রিল তাকে ৫ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছিল। সেই রিমান্ড শেষে আজ তাকে পুনরায় আদালতে হাজির করা হয়।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১২ সেপ্টেম্বর রমনা থানায় পুলিশ বাদী হয়ে এই সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেছিল। তদন্তকালে এই ঘটনার সঙ্গে মাঞ্জিল হায়দারের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় তাকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
What's Your Reaction?