ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু কবে
আগামী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্ড চালু করা হবে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালানোর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীরা খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অন্য ভাতা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের
আগামী ১০ মার্চ ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণের কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রাথমিকভাবে দেশের ১৩টি উপজেলায় পরীক্ষামূলকভাবে এই কার্ড চালু করা হবে।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এর আগে রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালানোর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিকভাবে বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে।
উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি গঠন করে পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে উপকারভোগীর তালিকা চূড়ান্ত করা হবে। অনুদানের অর্থ ব্যাংক বা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে বিতরণ করা হবে। নারীরা খানা প্রধান হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড পাবেন এবং অন্য ভাতা পাবেন না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের সুবিধা থাকবে।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা গণমাধ্যমকে জানান, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে সহায়তা দেওয়া হবে। এ লক্ষ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে।
উপকারভোগী নির্বাচন জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) তথ্যের মাধ্যমে করা হলেও, আর্থিক তথ্য না থাকায় নির্বাচিত ওয়ার্ডে সরেজমিন যাচাই-বাছাই করে সুবিধাভোগী চূড়ান্ত করা হবে। পরিবারগুলোকে হতদরিদ্র, দরিদ্র, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত চারটি শ্রেণিতে ভাগ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
What's Your Reaction?