ফ্যাসিস্ট ও অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলায় হামে শিশু মারা গেছে : নাসিক প্রশাসক

ফ্যাসিস্ট সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলার কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে এবং শিশুমৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। রোববার (২৮ জুন) সকালে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান। তিনি বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং হামের জটিলতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এদিকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ডে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, অতীতে সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত হামের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হলেও পরবর্তী সময়ে তা ব্যাহত হয়। ফলে দেশে হামের সংক্রমণ বেড়েছে এবং অবহেলার কারণে শিশুমৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হামের জটিলতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে। প্রশাসক জানান, এবার সিটি করপোরেশন এলাকার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে ভিটামিন

ফ্যাসিস্ট ও অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলায় হামে শিশু মারা গেছে : নাসিক প্রশাসক

ফ্যাসিস্ট সরকার ও অন্তর্বর্তী সরকারের অবহেলার কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে এবং শিশুমৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

রোববার (২৮ জুন) সকালে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধনকালে এসব কথা বলেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান।

তিনি বলেন, শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে এবং হামের জটিলতা কমাতে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এদিকে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের প্রথম রাউন্ডে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

তিনি বলেন, অতীতে সরকারি উদ্যোগে নিয়মিত হামের টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হলেও পরবর্তী সময়ে তা ব্যাহত হয়। ফলে দেশে হামের সংক্রমণ বেড়েছে এবং অবহেলার কারণে শিশুমৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। ভিটামিন ‘এ’ শিশুদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং হামের জটিলতা কমাতে কার্যকর ভূমিকা রাখে।

প্রশাসক জানান, এবার সিটি করপোরেশন এলাকার ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সিটির ২৭টি ওয়ার্ডের ১৪৪টি স্থায়ী ও অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রসহ মোট ৩৪০টি কেন্দ্রে এ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এ কাজে প্রায় ৮০০ স্বাস্থ্যকর্মী দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি বলেন, শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তাই তাদের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা প্রতিটি মা-বাবার দায়িত্ব। সরকার শিশুদের বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকে, যার মধ্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ।

সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে, ডায়রিয়া ও রক্তশূন্যতার ঝুঁকি কমায় এবং তাদের স্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হবে। যারা নির্ধারিত দিনে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল গ্রহণ করতে পারবে না, তারা পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্র থেকে এ সেবা নিতে পারবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow