ফ্রান্স-মরক্কো ম্যাচ ঘিরে সহিংসতা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্কতায় প্যারিস
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচকে ঘিরে উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। ফরাসি সংবাদপত্র লে পার্সিয়ান-এর তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালে শহরের বিভিন্ন এলাকায় নজরদারির জন্য পুলিশকে ড্রোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য, ম্যাচ-পরবর্তী উদযাপন বা উত্তেজনার মধ্যে যেন কোনো সহিংসতা বা সংঘর্ষ না ঘটে। এই কড়া নিরাপত্তার পেছনে রয়েছে অতীতের অভিজ্ঞতা। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স মরক্কোকে হারানোর পর সারা দেশে ২৬৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১৬৭ জনই ছিলেন প্যারিসের। এবারও ম্যাচ শুরুর এক ঘণ্টা আগে, রাত ৮টা থেকে বিশেষ পুলিশি আদেশ কার্যকর হবে। একই সঙ্গে আতশবাজি ও অন্যান্য পাইরোটেকনিক সামগ্রী ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বিশেষ নজরদারিতে থাকবে বিখ্যাত শ্যঁজেলিজে (Champs-Élysées) এলাকা, যেখানে অতীতে বড় ফুটবল ম্যাচের পর একাধিকবার সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সম্ভাব্য লুটপাট ঠেকাতে অনেক দোকানপাট আগেভাগেই সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করেছে। এছাড়া জনসমাগম কমাতে ওই এলাকার কয়েকটি মেট্রো
বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে ফ্রান্স ও মরক্কোর ম্যাচকে ঘিরে উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস। সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
ফরাসি সংবাদপত্র লে পার্সিয়ান-এর তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচ চলাকালে শহরের বিভিন্ন এলাকায় নজরদারির জন্য পুলিশকে ড্রোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। লক্ষ্য, ম্যাচ-পরবর্তী উদযাপন বা উত্তেজনার মধ্যে যেন কোনো সহিংসতা বা সংঘর্ষ না ঘটে।
এই কড়া নিরাপত্তার পেছনে রয়েছে অতীতের অভিজ্ঞতা। ২০২২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স মরক্কোকে হারানোর পর সারা দেশে ২৬৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১৬৭ জনই ছিলেন প্যারিসের। এবারও ম্যাচ শুরুর এক ঘণ্টা আগে, রাত ৮টা থেকে বিশেষ পুলিশি আদেশ কার্যকর হবে। একই সঙ্গে আতশবাজি ও অন্যান্য পাইরোটেকনিক সামগ্রী ব্যবহারও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
বিশেষ নজরদারিতে থাকবে বিখ্যাত শ্যঁজেলিজে (Champs-Élysées) এলাকা, যেখানে অতীতে বড় ফুটবল ম্যাচের পর একাধিকবার সহিংসতা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সম্ভাব্য লুটপাট ঠেকাতে অনেক দোকানপাট আগেভাগেই সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করেছে। এছাড়া জনসমাগম কমাতে ওই এলাকার কয়েকটি মেট্রো স্টেশনও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্যারিসে প্রায় ৩ লাখ মরক্কান বংশোদ্ভূত মানুষের বসবাস রয়েছে। পুরো ফ্রান্সে তাদের সংখ্যা প্রায় ২২ লাখ। এই বড় মরক্কান সম্প্রদায়ের উপস্থিতির বিষয়টিও নিরাপত্তা পরিকল্পনায় বিবেচনায় নিয়েছে ফরাসি কর্তৃপক্ষ।
আরআর/আইএন
What's Your Reaction?