বগুড়ায় ট্রাকমালিককে গলা কেটে হত্যা, ব্যবসায়িক বিরোধের সন্দেহ

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় সাইফুল ইসলাম (৪০) নামের এক ট্রাকমালিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার সোন্দাবাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির পাশের একটি ঘাসের জমিতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম ওই এলাকার জামাল উদ্দিন ওরফে জামুর ছেলে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ব্যবসায়িক কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম পেশাগত কারণে প্রতিদিন গভীর রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরতেন। শনিবার দিবাগত রাতেও তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু ভোর হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে ভোরে স্বজনরা বাড়ির উত্তর পাশে একটি ঘাসের জমিতে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।নিহতের মেয়ে সাদিয়া আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, বাবা প্রতিদিন দেরি করে বাড়ি ফেরেন। কাল ভোরেও যখন বাবা ফিরছিলেন না, তখন আমরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। পরে বাড়ির সামনেই বাবার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখি। ক

বগুড়ায় ট্রাকমালিককে গলা কেটে হত্যা, ব্যবসায়িক বিরোধের সন্দেহ

বগুড়ার গাবতলী উপজেলায় সাইফুল ইসলাম (৪০) নামের এক ট্রাকমালিককে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। শনিবার দিবাগত রাতের কোনো একসময় উপজেলার সোন্দাবাড়ী পূর্বপাড়া এলাকায় নিজ বাড়ির পাশের একটি ঘাসের জমিতে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত সাইফুল ইসলাম ওই এলাকার জামাল উদ্দিন ওরফে জামুর ছেলে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ব্যবসায়িক কোনো বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে থাকতে পারে।

নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাইফুল ইসলাম পেশাগত কারণে প্রতিদিন গভীর রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরতেন। শনিবার দিবাগত রাতেও তিনি বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। কিন্তু ভোর হয়ে গেলেও তিনি বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা দুশ্চিন্তায় পড়েন। পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর মুঠোফোনে বারবার কল করা হলেও কোনো সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। পরবর্তীতে ভোরে স্বজনরা বাড়ির উত্তর পাশে একটি ঘাসের জমিতে তাঁর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন।

নিহতের মেয়ে সাদিয়া আক্তার কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, বাবা প্রতিদিন দেরি করে বাড়ি ফেরেন। কাল ভোরেও যখন বাবা ফিরছিলেন না, তখন আমরা চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। পরে বাড়ির সামনেই বাবার রক্তাক্ত লাশ পড়ে থাকতে দেখি। কেন আমার বাবাকে এভাবে মারা হলো?

খবর পেয়ে গাবতলী মডেল থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। গাবতলী মডেল থানা ওসি আনিছুর রহমান জানান, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে। ব্যবসায়িক শত্রুতা নাকি অন্য কোনো কারণে এই হত্যাকাণ্ড, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow