বগুড়ায় বিস্ফোরক মামলায় কারাগারে ‘গরিবের ডাক্তার’ মিশু
বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তারের পর বগুড়ায় গরিবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশুকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। আদালত বৃহস্পতিবার তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেছেন। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর উপজেলা সদরে মকটেল নামে একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে চিকিৎসক সামির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ছাড়াও তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সামির হোসেন বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার মৃত ডা. সাফদার হোসেনের ছেলে। শেরপুর থানার ওসি এস এম মইনুদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতে শেরপুর সদরের মকটেল রেস্তোরাঁয় একজন চিকিৎসকের জন্মদিন উপলক্ষে পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে অংশ নিতে বগুড়া থেকে যান সামির হোসেন। খবর পেয়ে বিএনপির কিছু সমর্থক রেস্তোরাঁটি ঘিরে জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় নিয়ে যায়। পরে বগুড়
বিস্ফোরক মামলায় গ্রেপ্তারের পর বগুড়ায় গরিবের ডাক্তার হিসেবে পরিচিত স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি ডা. সামির হোসেন মিশুকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে জেলার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সদর আমলি আদালতের বিচারক মেহেদী হাসান এ আদেশ দেন। আদালত বৃহস্পতিবার তার জামিন শুনানির দিন ধার্য করেছেন।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শেরপুর উপজেলা সদরে মকটেল নামে একটি চাইনিজ রেস্তোরাঁ থেকে চিকিৎসক সামির হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি ছাড়াও তিনি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
সামির হোসেন বগুড়া শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকার মৃত ডা. সাফদার হোসেনের
ছেলে।
শেরপুর থানার ওসি এস এম মইনুদ্দিন জানান, মঙ্গলবার রাতে শেরপুর সদরের মকটেল রেস্তোরাঁয় একজন চিকিৎসকের জন্মদিন উপলক্ষে পারিবারিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সেখানে অংশ নিতে বগুড়া থেকে যান সামির হোসেন। খবর পেয়ে বিএনপির কিছু সমর্থক রেস্তোরাঁটি ঘিরে জড়ো হন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আশঙ্কায় পুলিশ তাকে নিরাপত্তার স্বার্থে থানায় নিয়ে যায়। পরে বগুড়া সদর থানায় হওয়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-সংক্রান্ত একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে রাতেই সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়।
সামির হোসেন মিশু জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় বগুড়া সদর উপজেলার স্বাস্থ্য ওপরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর তাকে বাগেরহাট সরকারি মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ট্রেনিং স্কুলের (ম্যাটস) প্রশিক্ষক পদে বদলি করা হয়।
বগুড়ায় তিনি স্থানীয়ভাবে দরিদ্র রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকায় ‘গরিবের ডাক্তার’ নামে পরিচিত।
বগুড়া সদর থানার ওসি ইব্রাহীম আলী বলেন, ‘২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর ককটেল হামলার অভিযোগে গত বছরের ২২ অক্টোবর সদর থানায় বিস্ফোরক আইনে একটি মামলা করা হয়। সেই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সামির হোসেনকে বগুড়া সদর থানা থেকে আদালতে পাঠানো হয়।’
What's Your Reaction?