বগুড়ায় মামলার আসামিকে কুপিয়ে হত্যা
বগুড়ার শাহাজাহানপুরে দিনে দুপুরে রকি (৩২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বনানী গাক চক্ষু হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রকি উপজেলার গণ্ডগ্রামের উত্তরপাড়া এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে। তিনি এলাকায় ইট-বালুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে অস্ত্র, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর সোয়া ১টার দিকে হাসপাতালের সামনে রকিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এর আগে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত ও কোপাতে থাকে। গুরুতর জখমে রকির মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি হাতুড়ি ও দুটি দা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নাম প
বগুড়ার শাহাজাহানপুরে দিনে দুপুরে রকি (৩২) নামে এক যুবককে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার বনানী গাক চক্ষু হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত রকি উপজেলার গণ্ডগ্রামের উত্তরপাড়া এলাকার বেলাল হোসেনের ছেলে। তিনি এলাকায় ইট-বালুর ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তবে অস্ত্র, ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধে তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুর সোয়া ১টার দিকে হাসপাতালের সামনে রকিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। এর আগে দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি ছুরিকাঘাত ও কোপাতে থাকে। গুরুতর জখমে রকির মৃত্যু নিশ্চিত করে দুর্বৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
খবর পেয়ে শাজাহানপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে দুটি হাতুড়ি ও দুটি দা উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, রকি এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করতেন। তিনি নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, পরিকল্পিতভাবে রকিকে ঘটনাস্থলে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে।
কৈগাড়ি ফাঁড়ির ইনচার্জ আবু সুফিয়ান বলেন, রকির বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ছিনতাই ও ছুরিকাঘাতের মতো একাধিক মামলা রয়েছে। ঈদের আগে তিনি জামিনে কারাগার থেকে মুক্ত হন।
শাহাজাহানপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রকির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। সেখানে তার মোটরসাইকেল পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে কাজ শুরু হয়েছে। জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এই ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
What's Your Reaction?