বগুড়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে হুমায়রা নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালের হাম রোগীদের জন্য নির্ধারিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত শিশু হুমায়রা বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা। গতকাল মঙ্গলবার হামের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। শজিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ও মুখপাত্র ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শিশুটির শরীরে হামের উপসর্গ ও র‍্যাশ ছিল। ভর্তির পর তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। সেখানেই আজ ভোরে তার মৃত্যু হয়। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় শজিমেক হাসপাতালে হামের রোগীদের জন্য আলাদা একটি আইসোলেশন বিভাগ খোলা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে ১০টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ১৮টি শিশুর নমুনা পরীক্ষা করা হলেও কারও শরীরে হামের অস্তিত্ব (পজিটিভ) পাওয়া যায়নি। মারা যাওয়া শিশুটির নমুনা পরীক্ষার বিষয়ে ডা. মনজুর-এ-মুর্শেদ বলেন, চিকিৎসকেরা শিশুট

বগুড়ায় হামের উপসর্গ নিয়ে ১০ মাস বয়সী শিশুর মৃত্যু

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে হুমায়রা নামে ১০ মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার (১ এপ্রিল) ভোর সাড়ে ৩টার দিকে হাসপাতালের হাম রোগীদের জন্য নির্ধারিত আইসোলেশন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি মারা যায়।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মৃত শিশু হুমায়রা বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বাসিন্দা। গতকাল মঙ্গলবার হামের উপসর্গ নিয়ে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল।

শজিমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ও মুখপাত্র ডা. মো. মনজুর-এ-মুর্শেদ শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, শিশুটির শরীরে হামের উপসর্গ ও র‍্যাশ ছিল। ভর্তির পর তাকে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছিল। সেখানেই আজ ভোরে তার মৃত্যু হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় শজিমেক হাসপাতালে হামের রোগীদের জন্য আলাদা একটি আইসোলেশন বিভাগ খোলা হয়েছে। বর্তমানে সেখানে একই ধরনের উপসর্গ নিয়ে ১০টি শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ১৮টি শিশুর নমুনা পরীক্ষা করা হলেও কারও শরীরে হামের অস্তিত্ব (পজিটিভ) পাওয়া যায়নি।

মারা যাওয়া শিশুটির নমুনা পরীক্ষার বিষয়ে ডা. মনজুর-এ-মুর্শেদ বলেন, চিকিৎসকেরা শিশুটির শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহের চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার অভিভাবকেরা অনুমতি না দেওয়ায় নমুনা সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। অভিভাবকদের সম্মতি ছাড়া নমুনা সংগ্রহের সুযোগ নেই।

বর্তমানে আইসোলেশন ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা শিশুদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এলবি/এমএন/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow