বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেলপথ প্রকল্পে জমির ন্যায্য মূল্যের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য বাজারমূল্যের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামে আঞ্চলিক সড়কে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। ভাদড়া মৌজার ভুক্তভোগী জনসাধারণের উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে ওই এলাকার কয়েকশ’ নারী-পুরুষ অংশ নেন।মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য তারা তাদের শেষ সম্বল বসতভিটা ও আবাদি জমি দিতে রাজি আছেন। কিন্তু সরকার কর্তৃক বর্তমানে যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বর্তমান বাজারদরের চেয়ে কয়েকগুণ কম। তারা জানান, বর্তমানে ওই এলাকায় প্রতি শতক জমির বাজারমূল্য ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত হলেও তাদের মাত্র ৭ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। অথচ একই প্রকল্পের আওতায় পাশের কিছু জমির মূল্য ৫০ হাজার টাকা শতক ধরা হয়েছে। এমন বৈষম্যমূলক ও নামমাত্র মূল্যে জমি দিতে গিয়ে তারা পথে বসার উপক্রম হয়েছেন।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী মো. জাকারিয়া হোসেন, আতিকুল, শুভ, রাসেল আহম্মেদ, আব্দুল খালেক ও জোছনা বেগম বলেন, আমরা
বগুড়া-সিরাজগঞ্জ ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় অধিগ্রহণকৃত জমির ন্যায্য বাজারমূল্যের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকরা।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বেলা ১১টার দিকে শেরপুর উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নের ভাদড়া গ্রামে আঞ্চলিক সড়কে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। ভাদড়া মৌজার ভুক্তভোগী জনসাধারণের উদ্যোগে আয়োজিত এই মানববন্ধনে ওই এলাকার কয়েকশ’ নারী-পুরুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য তারা তাদের শেষ সম্বল বসতভিটা ও আবাদি জমি দিতে রাজি আছেন। কিন্তু সরকার কর্তৃক বর্তমানে যে মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে, তা বর্তমান বাজারদরের চেয়ে কয়েকগুণ কম। তারা জানান, বর্তমানে ওই এলাকায় প্রতি শতক জমির বাজারমূল্য ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত হলেও তাদের মাত্র ৭ হাজার টাকা করে দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। অথচ একই প্রকল্পের আওতায় পাশের কিছু জমির মূল্য ৫০ হাজার টাকা শতক ধরা হয়েছে। এমন বৈষম্যমূলক ও নামমাত্র মূল্যে জমি দিতে গিয়ে তারা পথে বসার উপক্রম হয়েছেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগী মো. জাকারিয়া হোসেন, আতিকুল, শুভ, রাসেল আহম্মেদ, আব্দুল খালেক ও জোছনা বেগম বলেন, আমরা দেশের উন্নয়নের বিরোধী নই। রেললাইনের জন্য আমাদের পৈতৃক ভিটা ও আবাদি জমি দিতে আমাদের আপত্তি নেই। কিন্তু আমাদের জমির ন্যায্য মূল্য কেন দেওয়া হচ্ছে না? যেখানে পাশের জমির দাম অনেক বেশি ধরা হয়েছে, সেখানে আমাদের জমি কেন মাত্র ৭ হাজার টাকায় অধিগ্রহণ করা হচ্ছে? এই নামমাত্র মূল্যে জমি দিয়ে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথায় যাব? তারা আরও বলেন, বর্তমান বাজারদর বিবেচনা করে ক্ষতিপূরণের এই মূল্য অবিলম্বে সংশোধন করতে হবে। অন্যথায় তারা জমি ছেড়ে দেবেন না এবং প্রয়োজনে আরও কঠোর কর্মসূচি পালন করবেন।
কর্মসূচি থেকে ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেন এবং অনতিবিলম্বে জমির মূল্য পুনর্বিবেচনা করে ন্যায্য ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করার জোর দাবি জানান। দাবি আদায় না হলে আগামীতে রাজপথ অবরোধের মতো কঠোর হুঁশিয়ারি দেন ভাদড়া মৌজার বাসিন্দারা।
What's Your Reaction?