বঙ্গোপসাগরের এক ইলিশ সাড়ে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ। খোলা বাজারে প্রতি মণ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দরে ডাকের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি হয়েছে ৭ হাজার ৪৭৫ টাকায়। সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে এফবি জারিফ তারিফ-৪ নামের একটি ফিশিং ট্রলারের জেলে আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মেসার্স মায়ের দোয়া মৎস্য আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হলে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন ডাকের মাধ্যমে এটি কিনে নেন। তিনি জানান, মাছটি ঢাকার বাজারে পাঠানো হবে। জেলে আসাদ মাঝি বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভরা মৌসুমেও আশানুরূপ ইলিশ মিলছে না। পাঁচ দিন আগে সাগরে গিয়ে জাল ফেললে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এই বড় ইলিশটি ধরা পড়ে। তিনি বলেন, প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর বড় ইলিশ কম মিলছে। তবে এমন একটি বড় মাছ পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত। একই ট্রলারের জেলে সোলায়মান বলেন, আজ ট্রলারে বড় ইলিশ বলতে এই একটিই পেয়েছি। সাগরে বড় ইলিশের সংখ্যা খুবই কম। তবে মাছটি বড় হওয়ায় ভালো দাম পেয়েছি। খুব বেশি মাছ না পেলেও আল্লাহ যা দিয়েছেন, তাতেই আমরা সন্তুষ্ট। আড়তদার মো. সোহাগ জানান, বড়

বঙ্গোপসাগরের এক ইলিশ সাড়ে ৭ হাজার টাকায় বিক্রি

পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে জেলের জালে ধরা পড়েছে ২ কেজি ৩০০ গ্রাম ওজনের একটি বড় ইলিশ। খোলা বাজারে প্রতি মণ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দরে ডাকের মাধ্যমে মাছটি বিক্রি হয়েছে ৭ হাজার ৪৭৫ টাকায়।

সোমবার (২৭ জুলাই) সকালে এফবি জারিফ তারিফ-৪ নামের একটি ফিশিং ট্রলারের জেলে আসাদ মাঝির জালে মাছটি ধরা পড়ে। পরে আলীপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের মেসার্স মায়ের দোয়া মৎস্য আড়তে মাছটি নিয়ে আসা হলে স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী সোহাগ হোসেন ডাকের মাধ্যমে এটি কিনে নেন।

তিনি জানান, মাছটি ঢাকার বাজারে পাঠানো হবে।

জেলে আসাদ মাঝি বলেন, নিষেধাজ্ঞা শেষে সমুদ্রে বৈরী আবহাওয়ার কারণে ভরা মৌসুমেও আশানুরূপ ইলিশ মিলছে না। পাঁচ দিন আগে সাগরে গিয়ে জাল ফেললে অন্যান্য মাছের সঙ্গে এই বড় ইলিশটি ধরা পড়ে।

তিনি বলেন, প্রতি বছরের তুলনায় এ বছর বড় ইলিশ কম মিলছে। তবে এমন একটি বড় মাছ পেয়ে আমরা খুবই আনন্দিত।

একই ট্রলারের জেলে সোলায়মান বলেন, আজ ট্রলারে বড় ইলিশ বলতে এই একটিই পেয়েছি। সাগরে বড় ইলিশের সংখ্যা খুবই কম। তবে মাছটি বড় হওয়ায় ভালো দাম পেয়েছি। খুব বেশি মাছ না পেলেও আল্লাহ যা দিয়েছেন, তাতেই আমরা সন্তুষ্ট।

আড়তদার মো. সোহাগ জানান, বড় আকারের ইলিশ হওয়ায় মাছটির চাহিদাও ছিল বেশি। ডাকের মাধ্যমে প্রতি মণ ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা দরে বিক্রি হওয়ায় মাছটির মূল্য দাঁড়ায় ৭ হাজার ৪৭৫ টাকা।

কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে আগের তুলনায় বঙ্গোপসাগরে মাছের প্রাপ্যতা কমেছে। তবে সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের ফলে বড় ইলিশের সংখ্যা কিছুটা বাড়ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সামনের দিনগুলোতে আরও বেশি বড় আকারের ইলিশ ধরা পড়বে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow