বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে তালগাছ রোপণসহ একাধিক উদ্যোগ দিয়েছে সরকার
হাওরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রপাতজনিত প্রাণহানি কমাতে কৃষক ও জেলেদের সুরক্ষায় একাধিক উদ্যোগ জোরদার করছে সরকার। এর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সাইরেন স্থাপন, তালগাছ রোপণ এবং বজ্রনিরোধক টাওয়ার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রী। সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদের আনা ‘আকস্মিক বজ্রপাত জনিত ক্ষতি মোকাবিলায় সঠিক গবেষণা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ’ বিষয়টি উত্থাপন করেন। সংসদ সদস্য জানান, তার আসনের চারটি উপজেলায় হাওর বিস্তৃত থাকায় কৃষক ও মৎস্যজীবীরা সারা বছর সেখানে কাজ করেন। কিন্তু গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে আকস্মিক বজ্রপাতে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে তার এলাকায় চারজন রয়েছেন। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য তুলে ধরে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় বজ্রপাত
হাওরসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রপাতজনিত প্রাণহানি কমাতে কৃষক ও জেলেদের সুরক্ষায় একাধিক উদ্যোগ জোরদার করছে সরকার। এর মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি, সাইরেন স্থাপন, তালগাছ রোপণ এবং বজ্রনিরোধক টাওয়ার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে তিনি এসব তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এ তথ্য তুলে ধরেন মন্ত্রী।
সুনামগঞ্জ-১ আসনের সংসদের আনা ‘আকস্মিক বজ্রপাত জনিত ক্ষতি মোকাবিলায় সঠিক গবেষণা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপ গ্রহণ’ বিষয়টি উত্থাপন করেন। সংসদ সদস্য জানান, তার আসনের চারটি উপজেলায় হাওর বিস্তৃত থাকায় কৃষক ও মৎস্যজীবীরা সারা বছর সেখানে কাজ করেন। কিন্তু গ্রীষ্ম ও বর্ষা মৌসুমে আকস্মিক বজ্রপাতে প্রায়ই প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে তার এলাকায় চারজন রয়েছেন। আন্তর্জাতিক গবেষণা সংস্থা নাসার তথ্য তুলে ধরে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল, বিশেষ করে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় বজ্রপাতের ঘনত্ব বেশি— প্রতি বর্গকিলোমিটারে ২৫টিরও বেশি বজ্রপাত ঘটে। যদিও বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে, তবে এখনো দৃশ্যমান কার্যকর কর্মসূচি, সঠিক পরিসংখ্যান, পর্যাপ্ত বজ্রনিরোধক যন্ত্র বা আশ্রয়কেন্দ্র গড়ে ওঠেনি। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাওর অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে গবেষণা ও বিজ্ঞানভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি।
জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দুর্যোগপ্রবণ দেশ এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বজ্রপাত ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, বিশেষ করে হাওর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে। বজ্রপাতজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সরকার এরই মধ্যে কয়েকটি কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বলে জানানো হয়।
এর মধ্যে রয়েছে— সচেতনতা বৃদ্ধি, ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সাইরেন স্থাপনের পরিকল্পনা, যাতে কৃষকরা আগেভাগে নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন। এছাড়া প্রাকৃতিকভাবে ঝুঁকি কমাতে তালগাছ রোপণ কর্মসূচি চালু রয়েছে, এছাড়া বজ্রপাত নিরোধে বিভিন্ন স্থানে টাওয়ার স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব পদক্ষেপ আরও জোরদার করে প্রাণহানি কমানো সম্ভব হবে।
এমওএস/এমএএইচ/
What's Your Reaction?