বনভূমির নীরবতায় বিলাসের ঠিকানা
ঢাকার কোলাহল থেকে কিছুটা দূরে, সবুজের গভীর নীরবতায় একদিনের জন্য হারিয়ে যেতে চাইলে গাজীপুরের শ্রীপুর হতে পারে ভরসার জায়গা। কালমেঘা ফরেস্টের ভেতরে গড়ে ওঠা (কালমেঘা কান্ট্রি ক্লাব অ্যান্ড রিসোর্ট) এখন অনেকের কাছেই সপ্তাহান্তের অবকাশযাপনের পরিচিত নাম। প্রায় ১৭ একর সবুজ জমির ওপর নির্মিত এ রিসোর্টটি শহরের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি খুঁজে নেওয়া মানুষদের জন্য এক স্বস্তির পরিসর তৈরি করেছে।
প্রকৃতির ভেতরে আধুনিক আয়োজন
রিসোর্টে ঢুকতেই চোখে পড়ে উঁচু গাছ, খোলা আকাশ আর নিরিবিলি পরিবেশ। বনভূমির আবহ বজায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে অবকাঠামো। প্রাকৃতিক আলো–বাতাসের প্রবাহকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি ভিলা ও স্যুটগুলোতে আধুনিক স্থাপত্যের ছাপ স্পষ্ট। এখানে রয়েছে ৬টি প্রাইভেট সুইমিং পুল সমৃদ্ধ ভিলা এবং মোট ৩১টি বেডরুম ও গেস্ট স্যুট। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ রয়েছে প্রতিটি ইউনিটে।
ভিলাগুলোতে আলাদা পুল ও জাকুজি সুবিধা থাকায় অতিথিরা নিজেদের মতো করে সময় উপভোগ করতে পারেন। বনভূমির দিকে খোলা বারান্দা, প্রশস্ত কক্ষ এবং রুচিশীল আসবাবপত্রে মিলেছে আরাম ও আভিজাত্যের সমন্বয়।
অবকাশ ও বিনোদনে
ঢাকার কোলাহল থেকে কিছুটা দূরে, সবুজের গভীর নীরবতায় একদিনের জন্য হারিয়ে যেতে চাইলে গাজীপুরের শ্রীপুর হতে পারে ভরসার জায়গা। কালমেঘা ফরেস্টের ভেতরে গড়ে ওঠা (কালমেঘা কান্ট্রি ক্লাব অ্যান্ড রিসোর্ট) এখন অনেকের কাছেই সপ্তাহান্তের অবকাশযাপনের পরিচিত নাম। প্রায় ১৭ একর সবুজ জমির ওপর নির্মিত এ রিসোর্টটি শহরের ব্যস্ততা থেকে মুক্তি খুঁজে নেওয়া মানুষদের জন্য এক স্বস্তির পরিসর তৈরি করেছে।
প্রকৃতির ভেতরে আধুনিক আয়োজন
রিসোর্টে ঢুকতেই চোখে পড়ে উঁচু গাছ, খোলা আকাশ আর নিরিবিলি পরিবেশ। বনভূমির আবহ বজায় রেখেই নির্মাণ করা হয়েছে অবকাঠামো। প্রাকৃতিক আলো–বাতাসের প্রবাহকে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি ভিলা ও স্যুটগুলোতে আধুনিক স্থাপত্যের ছাপ স্পষ্ট। এখানে রয়েছে ৬টি প্রাইভেট সুইমিং পুল সমৃদ্ধ ভিলা এবং মোট ৩১টি বেডরুম ও গেস্ট স্যুট। ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রেখে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে সময় কাটানোর সুযোগ রয়েছে প্রতিটি ইউনিটে।
ভিলাগুলোতে আলাদা পুল ও জাকুজি সুবিধা থাকায় অতিথিরা নিজেদের মতো করে সময় উপভোগ করতে পারেন। বনভূমির দিকে খোলা বারান্দা, প্রশস্ত কক্ষ এবং রুচিশীল আসবাবপত্রে মিলেছে আরাম ও আভিজাত্যের সমন্বয়।
অবকাশ ও বিনোদনের সমন্বয়
শুধু থাকা নয়, অবকাশের অভিজ্ঞতাকে পূর্ণতা দিতে রয়েছে মিনি গলফ, কায়াকিং এবং লাইভ বারবিকিউ আয়োজন। প্রাকৃতিক পদ্মপুকুর ও খোলা সবুজ মাঠে হাঁটাহাঁটি কিংবা বিকেলের আড্ডা-সব মিলিয়ে দিনটি হয়ে ওঠে ভিন্নরকম। করপোরেট টিম আউটিং কিংবা পারিবারিক গেট–টুগেদারের জন্যও রয়েছে প্রয়োজনীয় আয়োজনের ব্যবস্থা।
খাবারে বৈচিত্র্য
খাবারের ক্ষেত্রেও এই রিসোর্টটি আলাদা পরিচিতি পেয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় ৫৪ আইটেমের বৈচিত্র্যময় মেনু পরিবেশনের আয়োজন অতিথিদের জন্য এক বিশেষ অভিজ্ঞতা তৈরি করে। দেশীয় রান্না থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক পদ-সবকিছুতেই রয়েছে স্বাদ ও পরিবেশনার যত্ন।
সপ্তাহান্তের নতুন গন্তব্য
ঢাকা থেকে প্রায় দুই ঘণ্টার পথ। তাই স্বল্প সময়ের ছুটিতে দূরে না গিয়েও প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। পরিবার, বন্ধু কিংবা সহকর্মীদের নিয়ে একদিন বা দুদিনের অবকাশে যারা স্বস্তি খোঁজেন, তাদের কাছে কালমেঘা এখন একটি সম্ভাবনাময় ঠিকানা।
সবুজ বন, নিরিবিলি পরিবেশ আর আধুনিক সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়ে এই রিসোর্টটি গাজীপুর অঞ্চলে অবকাশযাপনের মানচিত্রে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।