বনমোরগ জব্দ, দেশি মোরগ অবমুক্ত করলেন বন কর্মকর্তা
খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় স্থানীয়দের থেকে বন মোরগ কিনে নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে এক ব্যক্তিকে আটক করে বন বিভাগ। বনমোরগটি উদ্ধার করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে। নিয়ম অনুযায়ী ওই মোরগ নিকটস্থ বনে অবমুক্ত করার কথা থাকলেও বনমোরগটি অবমুক্ত না করার অভিযোগ উঠেছে জালিয়াপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার করা বনমোরগটি অবমুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করে গতকাল একটি ছবি ওই রেঞ্জ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকর্মীদের পাঠান। তবে ছবিতে তাকে একটি দেশি মোরগ অবমুক্ত করতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, তিনি বাজার থেকে বনমোরগটি কিনেছিলেন। পরে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তার কাছ থেকে মোরগটি উদ্ধার করেন।
তিনি আরও বলেন, বাড়ি ফিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন বিভাগের পক্ষ থেকে বনমোরগ অবমুক্ত করার একটি ছবি দেখতে পান। তবে সেটি তার কাছ থেকে উদ্ধার করা মোরগ নয় বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া বনমোরগের সঙ্গে অবমুক্ত করা মোরগের কোনো মিল নেই। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
খাগড়াছড়ির জালিয়াপাড়ায় স্থানীয়দের থেকে বন মোরগ কিনে নিয়ে বাড়ি যাওয়ার পথে এক ব্যক্তিকে আটক করে বন বিভাগ। বনমোরগটি উদ্ধার করে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয় ওই ব্যক্তিকে। নিয়ম অনুযায়ী ওই মোরগ নিকটস্থ বনে অবমুক্ত করার কথা থাকলেও বনমোরগটি অবমুক্ত না করার অভিযোগ উঠেছে জালিয়াপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলামের বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) খাগড়াছড়ির গুইমারা উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
উদ্ধার করা বনমোরগটি অবমুক্ত করা হয়েছে বলে দাবি করে গতকাল একটি ছবি ওই রেঞ্জ কর্মকর্তা গণমাধ্যমকর্মীদের পাঠান। তবে ছবিতে তাকে একটি দেশি মোরগ অবমুক্ত করতে দেখা যায়।
এ বিষয়ে মো. আবুল কালাম আজাদ জানান, তিনি বাজার থেকে বনমোরগটি কিনেছিলেন। পরে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার পথে বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা তার কাছ থেকে মোরগটি উদ্ধার করেন।
তিনি আরও বলেন, বাড়ি ফিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বন বিভাগের পক্ষ থেকে বনমোরগ অবমুক্ত করার একটি ছবি দেখতে পান। তবে সেটি তার কাছ থেকে উদ্ধার করা মোরগ নয় বলে দাবি করেন তিনি।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া বনমোরগের সঙ্গে অবমুক্ত করা মোরগের কোনো মিল নেই। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী জালিয়াপাড়ার বাসিন্দা রাকিব হোসেন বলেন, বনমোরগটি আটক করার সময় আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম। নিজের মুঠোফোনে ছবিও তুলেছি। কিন্তু পরে যে মোরগ অবমুক্ত করা হয়েছে, সেটির সঙ্গে উদ্ধার করা বনমোরগটির কোনো মিল পাইনি, এটি দেশি মোরগ।
অভিযুক্ত জালিয়াপাড়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সিরাজুল ইসলাম দাবি করেন, উদ্ধার হওয়া বনমোরগটি তিনি অবমুক্ত করেছেন।