বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে আর ফেরা হলো না সিনথিয়ার

ঈদের ছুটির আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকে। বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে পুকুরের গভীর পানিতে তলিয়ে গেল ১১ বছরের কিশোরী সিনথিয়া আক্তার। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে এখন দিশেহারা পরিবার, শোকে স্তব্ধ পুরো গ্রাম। বিডি২৪লাইভ'কে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য একরামুল মিয়া। শনিবার (৬ জুন) বিকেলে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের পালানপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সিনথিয়া আক্তার (১১) ওই গ্রামের ডিপটি মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বাড়ির পাশের খালার বাড়িতে বেড়াতে যায় সিনথিয়া। পরে অন্য শিশুদের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে নামে। কিন্তু সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে সে গভীর পানিতে চলে যায় এবং ডুবে যায়। অনেকক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুর থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পাশ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা কর

বন্ধুদের সঙ্গে গোসলে নেমে আর ফেরা হলো না সিনথিয়ার

ঈদের ছুটির আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকে। বন্ধুদের সঙ্গে গোসল করতে নেমে পুকুরের গভীর পানিতে তলিয়ে গেল ১১ বছরের কিশোরী সিনথিয়া আক্তার। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি। একমাত্র মেয়েকে হারিয়ে এখন দিশেহারা পরিবার, শোকে স্তব্ধ পুরো গ্রাম।

বিডি২৪লাইভ'কে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ধাপেরহাট ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য একরামুল মিয়া।

শনিবার (৬ জুন) বিকেলে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলার ধাপেরহাট ইউনিয়নের পালানপাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নিহত সিনথিয়া আক্তার (১১) ওই গ্রামের ডিপটি মিয়ার মেয়ে। সে স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরে বাড়ির পাশের খালার বাড়িতে বেড়াতে যায় সিনথিয়া। পরে অন্য শিশুদের সঙ্গে পুকুরে গোসল করতে নামে। কিন্তু সাঁতার না জানায় একপর্যায়ে সে গভীর পানিতে চলে যায় এবং ডুবে যায়।

অনেকক্ষণ তাকে দেখতে না পেয়ে স্বজন ও স্থানীয়রা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পুকুর থেকে অচেতন অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে দ্রুত পাশ্ববর্তী পীরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

স্থানীয়রা জানান, প্রাণবন্ত ও হাসিখুশি স্বভাবের ছিল সিনথিয়া। ঈদের ছুটিতে পরিবারের সবার সঙ্গে আনন্দে সময় কাটাচ্ছিল সে। কিন্তু হঠাৎ এই দুর্ঘটনায় পুরো পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

সন্তান হারানোর বেদনায় বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন মা। স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে উঠেছে বাড়ির পরিবেশ। ছোট্ট সিনথিয়ার অকাল মৃত্যুতে এলাকায়ও নেমে এসেছে শোকের ছায়া। অনেকেই বলছেন, কয়েক মুহূর্তের অসাবধানতায় নিভে গেল একটি সম্ভাবনাময় জীবনের প্রদীপ।

এ বিষয়ে ধাপেরহাট ইউপি সদস্য একরামুল মিয়া বিডি২৪লাইভ'কে আরো বলেন, "সিনথিয়ার মৃত্যু অত্যন্ত হৃদয়বিদারক। একটি সম্ভাবনাময় শিশুর এমন অকাল মৃত্যু মেনে নেওয়া কঠিন। আমি শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। একই সঙ্গে অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ, শিশুদের জলাশয়ের আশপাশে একা যেতে না দেওয়া এবং সাঁতার শেখানোর বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়ার।"

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow