বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমানতকারীদের জন্য দুঃসংবাদ

উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে শিগগিরই প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। মঙ্গলবার (৯ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. মো. মোস্তাকুর রহমান। বন্ধের তালিকায় থাকা পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো- এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৭ হাজার আমানতকারীর প্রায় ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আটকে রয়েছে। প্রশাসক নিয়োগের পর গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে ব্যক্তি আমানতকারীরা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন। খেলাপি ঋণের হারও এসব প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর মধ্যে এফএএস ফাইন্যান্সের খেলাপি ঋণের হার ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৯৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ,

বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আমানতকারীদের জন্য দুঃসংবাদ

উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে শিগগিরই প্রশাসক নিয়োগ করা হবে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন ড. মো. মোস্তাকুর রহমান।

বন্ধের তালিকায় থাকা পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো- এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এবং ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এসব প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৭ হাজার আমানতকারীর প্রায় ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা আটকে রয়েছে। প্রশাসক নিয়োগের পর গ্রাহকদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম ধাপে ব্যক্তি আমানতকারীরা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন।

খেলাপি ঋণের হারও এসব প্রতিষ্ঠানে অত্যন্ত উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর মধ্যে এফএএস ফাইন্যান্সের খেলাপি ঋণের হার ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ, ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৯৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৯৮ দশমিক ৫০ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ এবং আভিভা ফাইন্যান্সের ৯৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ।

এদিকে সংকটে থাকা আরও চারটি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে পুনরুদ্ধারের জন্য তিন মাস সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স এবং প্রাইম ফাইন্যান্স।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, আগামী তিন মাসের মধ্যে এসব প্রতিষ্ঠানকে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার সক্ষমতা প্রমাণ করতে হবে। অন্যথায় তাদের বিরুদ্ধেও অবসায়ন বা বন্ধের একই প্রক্রিয়া শুরু করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow