বরিশালে বিস্ফোরণে দগ্ধ ৩ জনকে পাঠানো হলো জাতীয় বার্ন ইউনিটে
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। তাদের চিকিৎসার খরচ বহনের ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। একইসঙ্গে বিস্ফোরণের উৎস ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় চিকিৎসকদের পরামর্শে দগ্ধ হনুফা বেগম (৬০), তার মেয়ে ইতি আক্তার (১৯) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিম (১৪)-কে ঢাকায় পাঠানো হয়। এ সময় সহায়তা হিসেবে দগ্ধদের পরিবারের কাছে ৩০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহম্মেদ বলেন, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন বহন করবে। পাশাপাশি বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
এর আগে সোমবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি আক্তার ও নাতি ফাহিম গুরুতর দগ্ধ হন।
স্থানীয়রা দগ্ধদের উদ্ধার ক
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বোমা সদৃশ বস্তুর বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিন সদস্যকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। তাদের চিকিৎসার খরচ বহনের ঘোষণা দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। একইসঙ্গে বিস্ফোরণের উৎস ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় চিকিৎসকদের পরামর্শে দগ্ধ হনুফা বেগম (৬০), তার মেয়ে ইতি আক্তার (১৯) এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ফাহিম (১৪)-কে ঢাকায় পাঠানো হয়। এ সময় সহায়তা হিসেবে দগ্ধদের পরিবারের কাছে ৩০ হাজার টাকা অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহম্মেদ বলেন, আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ ব্যয় বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসন বহন করবে। পাশাপাশি বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
এর আগে সোমবার সকাল ৬টার দিকে উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের দুধলমৌ গ্রামের শাহ আলম হাওলাদারের বাড়িতে বিকট শব্দে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে শাহ আলমের স্ত্রী হনুফা বেগম, মেয়ে ইতি আক্তার ও নাতি ফাহিম গুরুতর দগ্ধ হন।
স্থানীয়রা দগ্ধদের উদ্ধার করে প্রথমে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা উন্নত চিকিৎসার তাদের ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
ঘটনার পর জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরে বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহম্মেদ, বরিশাল রেঞ্জের ডিআইজি মো. মোস্তাফিজুর রহমান এবং জেলা প্রশাসক মো. মামুন খন্দকার হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নেন এবং চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন আহতদের শারীরিক অবস্থার বিষয়ে একাধিকবার খোঁজ নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় সহযোগিতার নির্দেশনা দিয়েছেন।
বাকেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল হোসেন জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে চূড়ান্তভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়।