‘বর্তমান সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা ও গণভোটের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে’
বর্তমান সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনা এবং গণভোটের রায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় মোহনগঞ্জ পৌর শহরের রেলস্টেশন মাঠে জাতীয় এক জনসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণভোটে ৭০ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। সেই রায়ের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার এবং গণভোটের রায় তারা কার্যকর করছে না। জুলাই সনদ তারা কার্যকর করবে মুখে মুখে বলছে, কিন্তু এটা কেবলই তাদের মৌখিক প্রতারণা, কার্যকর করছে না। জুলাই সনদ কর্যকর না করলে ১৪০০ শহীদ এবং ৩০ হাজার আহতসহ জুলাই বৃথা যাবে। আমরা আন্দোলন করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘এনসিপি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া একটি দল। তরুণদের মধ্যে থেকে এই দল তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদে আমরা ৬টি আসনে বিজয় লাভ করেছি। সারা বাংলাদেশে আমরা সংগঠন গড়ে তুলছি। আমরা আজকে নেত্রকোনার এই হাওর এলাকার মানুষের যে দুঃখ-দুর্দশা দেখে এসেছি। সেখানকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় রয়েছে অব্যবস্থাপনা। একটা মানুষ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই তা
বর্তমান সরকার জুলাই অভ্যুত্থানের মূল চেতনা এবং গণভোটের রায়ের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
শুক্রবার (২৪ জুলাই) সন্ধ্যায় মোহনগঞ্জ পৌর শহরের রেলস্টেশন মাঠে জাতীয় এক জনসভায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণভোটে ৭০ ভাগ মানুষ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে রায় দিয়েছিল। সেই রায়ের সঙ্গে প্রতারণা করছে সরকার এবং গণভোটের রায় তারা কার্যকর করছে না। জুলাই সনদ তারা কার্যকর করবে মুখে মুখে বলছে, কিন্তু এটা কেবলই তাদের মৌখিক প্রতারণা, কার্যকর করছে না। জুলাই সনদ কর্যকর না করলে ১৪০০ শহীদ এবং ৩০ হাজার আহতসহ জুলাই বৃথা যাবে। আমরা আন্দোলন করে পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে চাই না।’
তিনি বলেন, ‘এনসিপি জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া একটি দল। তরুণদের মধ্যে থেকে এই দল তৈরি হয়েছে। জাতীয় সংসদে আমরা ৬টি আসনে বিজয় লাভ করেছি। সারা বাংলাদেশে আমরা সংগঠন গড়ে তুলছি। আমরা আজকে নেত্রকোনার এই হাওর এলাকার মানুষের যে দুঃখ-দুর্দশা দেখে এসেছি। সেখানকার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় রয়েছে অব্যবস্থাপনা। একটা মানুষ অসুস্থ হলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে যেতেই তার মৃত্যু হওয়া সম্ভব।’
এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, ‘যারা কৃষক রয়েছে তাদের ধানের ন্যায্য মূল পাচ্ছে না। মাছ ধরা নিষিদ্ধ তিন থেকে চার মাস ধরে- যার ফলে তাদের ৩০ কেজি করে ধান দেওয়া হয়েছে। সেটার নাম দিয়েছে তারা জেলে কার্ড। আমরা সরকারকে বলেছি এই বিভিন্ন কার্ডের খেলা না খেলে সত্যিকার অর্থে মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করুন। তরুণদের কর্মসংস্থান যদি আমরা নিশ্চিত করতে না পারি তাহলে এই দেশের অর্থনীতির কোনো পরিবর্তন হবে না।’
বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা অতীতেও দেখেছি সরকারি সুযোগ সুবিধা শুধু দলীয় লোকেরাই পায়। গরিব লোকরা পায় না। হাওর অঞ্চলকে নিয়ে বিশেষ বরাদ্দ বিশেষ পরিকল্পনা প্রয়োজন সরকারের। আমরা সংসদে এই কথা উপস্থাপন করব।’
জনসভায় এনসিপি উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক কেন্দ্রীয় সহসমন্বয়ক ও গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক খান তালাত মাহমুদসহ নেতারা বক্তব্য দেন।