বর্ষায় ত্বকের সংক্রমণের কারণ হতে পারে বাথ স্পঞ্জ বা লুফাহ
বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। এই সময় গোসলের জন্য ব্যবহৃত লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ সহজে শুকাতে চায় না। দীর্ঘক্ষণ ভেজা অবস্থায় থাকলে এর ভেতরে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও ফাঙ্গাস দ্রুত জন্মাতে পারে। আর সেই লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ দিয়ে প্রতিদিন শরীর পরিষ্কার করলে ত্বকে র্যাশ, চুলকানি, ব্রণ, ফাঙ্গাল ইনফেকশনসহ নানা ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে। তাই শুধু শরীর পরিষ্কার রাখলেই হবে না, যে লুফাহ দিয়ে গোসল করছেন সেটিও পরিষ্কার রাখা জরুরি। বর্ষাকালে কয়েকটি সহজ অভ্যাস মেনে চললে ত্বককে অনেকটাই সংক্রমণমুক্ত রাখা সম্ভব। ব্যবহারের পর ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে রাখা গোসল শেষ হওয়ার পর লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ শুধু বাথরুমে ফেলে রাখবেন না। পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন, যাতে সাবান, ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা লেগে না থাকে। এরপর লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে এমন জায়গায় ঝুলিয়ে রাখুন, যেখানে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করে। সম্ভব হলে জানালার কাছে বা রোদ লাগে এমন স্থানে শুকাতে দিন। ভেজা অবস্থায় বন্ধ বাথরুমে রেখে দিলে জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। প্রত্যেকে আলাদা লুফাহ ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে সপ্তাহে অন্তত একবার
বর্ষাকালে বাতাসে আর্দ্রতার মাত্রা অনেক বেড়ে যায়। এই সময় গোসলের জন্য ব্যবহৃত লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ সহজে শুকাতে চায় না। দীর্ঘক্ষণ ভেজা অবস্থায় থাকলে এর ভেতরে ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক ও ফাঙ্গাস দ্রুত জন্মাতে পারে। আর সেই লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ দিয়ে প্রতিদিন শরীর পরিষ্কার করলে ত্বকে র্যাশ, চুলকানি, ব্রণ, ফাঙ্গাল ইনফেকশনসহ নানা ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে।
তাই শুধু শরীর পরিষ্কার রাখলেই হবে না, যে লুফাহ দিয়ে গোসল করছেন সেটিও পরিষ্কার রাখা জরুরি। বর্ষাকালে কয়েকটি সহজ অভ্যাস মেনে চললে ত্বককে অনেকটাই সংক্রমণমুক্ত রাখা সম্ভব।
ব্যবহারের পর ভালোভাবে ধুয়ে শুকিয়ে রাখা
গোসল শেষ হওয়ার পর লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ শুধু বাথরুমে ফেলে রাখবেন না। পরিষ্কার পানি দিয়ে ভালোভাবে ধুয়ে নিন, যাতে সাবান, ত্বকের মৃত কোষ ও ময়লা লেগে না থাকে।
এরপর লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে এমন জায়গায় ঝুলিয়ে রাখুন, যেখানে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করে। সম্ভব হলে জানালার কাছে বা রোদ লাগে এমন স্থানে শুকাতে দিন। ভেজা অবস্থায় বন্ধ বাথরুমে রেখে দিলে জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়।
প্রত্যেকে আলাদা লুফাহ ব্যবহার করলে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে
সপ্তাহে অন্তত একবার জীবাণুমুক্ত করা
লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ শুধু ধুয়ে রাখাই যথেষ্ট নয়। সপ্তাহে অন্তত একবার এটি জীবাণুমুক্ত করা প্রয়োজন।
এর জন্য কয়েক মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। চাইলে সাদা ভিনিগার বা অ্যান্টিসেপটিক মিশ্রিত পানিতেও কিছুক্ষণ রেখে পরিষ্কার করতে পারেন। এতে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের বৃদ্ধি অনেকটাই কমে যায়।
সময়মতো লুফাহ বদলে ফেলা
একটি লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ বছরের পর বছর ব্যবহার করা ঠিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, সিন্থেটিক লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ সাধারণত ৬ থেকে ৮ সপ্তাহের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো।
যদি দেখেন লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে, রং বদলে গেছে বা কালচে দাগ দেখা দিয়েছে, তাহলে আর দেরি না করে নতুন লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ ব্যবহার করুন।
কারো সঙ্গে লুফাহ ভাগ করে ব্যবহার না করা
একই পরিবারের সদস্য হলেও একটি লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ একাধিক ব্যক্তি ব্যবহার করা উচিত নয়। কারণ একজনের ত্বকে থাকা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা অন্য জীবাণু সহজেই অন্যজনের শরীরে ছড়িয়ে যেতে পারে। তাই প্রত্যেকের জন্য আলাদা লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ ব্যবহার করাই সবচেয়ে স্বাস্থ্যকর অভ্যাস।
প্রতিবার ব্যবহারের পর ভালোভাবে ধুয়ে রাখুন
সংক্রমিত ত্বকে লুফাহ ব্যবহার না করা
শরীরে যদি কাটা-ছেঁড়া, র্যাশ, ফুসকুড়ি, একজিমা বা কোনো ধরনের ত্বকের সংক্রমণ থাকে, তাহলে সেই স্থানে লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন।
এতে ক্ষত আরও বেড়ে যেতে পারে এবং সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও থাকে। ত্বক পুরোপুরি সুস্থ হওয়ার পর আবার লুফাহ ব্যবহার করুন।
পরিষ্কার লুফা, সুস্থ ত্বক
বর্ষাকালে ত্বকের যত্নে সাবান বা বডিওয়াশের পাশাপাশি লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ পরিচ্ছন্নতাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিবার ব্যবহারের পর শুকিয়ে রাখা, নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করা এবং নির্দিষ্ট সময় পর নতুন লুফাহ বা বাথ স্পঞ্জ ব্যবহার করলে আপনাকে অনেক ধরনের ত্বকের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারে।

কলারের কঠিন ময়লা পরিষ্কার করার সহজ উপায়
সূত্র: দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, হেলথ লাইন
এসএকেওয়াই
What's Your Reaction?
