বসতঘরে ঝুলছিল গৃহবধূর মরদেহ
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নে মিশু আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (৬ জুন) সকালে উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নামারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মিশু আক্তার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইয়াছিনের মেয়ে এবং একই এলাকার মহিউদ্দিনের স্ত্রী। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শ্বশুরের ভরণ-পোষণ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে সম্প্রতি উভয় পরিবারের মধ্যে আলোচনা ও বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে তার মনোমালিন্য চলছিল বলে পরিবারের দাবি। শনিবার সকালে বসতঘরের একটি কক্ষে মিশু আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমআরএএইচ/এমকেআর
চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নে মিশু আক্তার (২৭) নামে এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শনিবার (৬ জুন) সকালে উপজেলার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের নামারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মিশু আক্তার চরপাথরঘাটা ইউনিয়নের ইয়াছিনের মেয়ে এবং একই এলাকার মহিউদ্দিনের স্ত্রী।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শ্বশুরের ভরণ-পোষণ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জেরে সম্প্রতি উভয় পরিবারের মধ্যে আলোচনা ও বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ বিষয়কে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে তার মনোমালিন্য চলছিল বলে পরিবারের দাবি।
শনিবার সকালে বসতঘরের একটি কক্ষে মিশু আক্তারের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
কর্ণফুলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।
পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এমআরএএইচ/এমকেআর
What's Your Reaction?