বস্তিতে একাধিক বিলাসবহুল কক্ষে যুক্ত পালানোর সুড়ঙ্গ, গ্রেপ্তার ৮৫৯

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদক সেবন ও মাদক কারবারসহ অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৫৯ দিনে অভিযান পরিচালনা করে ৮৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার (১০ মে) জিএমপি সূত্রে এই তথ্য জানা যায়। জানা গেছে, টঙ্গীতে ময়লার স্তূপে ভরা বস্তিতে বিলাসবহুল একাধিক শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষের সন্ধান পাওয়া গেছে। কক্ষগুলো মাদক সেবনের কাজে ব্যবহার করে মাদকসেবীরা। তাদের পালানোর জন্যেও বস্তিতে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য সুরঙ্গপথ। পুলিশ জানায়, ৫৯ দিনে মাদক ও ছিনতাইবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৮৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় ৫৫৯ গ্রাম হেরোইন, ২১৫৫ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬ কেজি গাঁজা, ২১০ পিস প্যাথেডিন, ৪৫ বোতল ফেনসিডিলি ও ১০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার হয়। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে টঙ্গীর ১৯টি বস্তির প্রায় ৫ শতাধিক আন্তঃজেলা মাদক কারবারির এই দেশীয় সিন্ডিকেট অবাধে মাদকের কারবার করছে। বস্তিগুলো হলো—টঙ্গী বাজার এলাকার গোহাটা বস্তি, হাজী মাজার বস্তি, এরশাদনগর বাস্তুহারা বস্তি, নতুন বাজার এলাকার ব্যাংকের মাঠ বস্তি, আমতলি এলাকার কেরানীরটেক বস্তি, রেলওয়ে বস্তি, মাছিমপুর এলাকার জিন্নাতের পেছনের বস্তি, নিশাতনগর এলাকার নিশাত

বস্তিতে একাধিক বিলাসবহুল কক্ষে যুক্ত পালানোর সুড়ঙ্গ, গ্রেপ্তার ৮৫৯

গাজীপুরের টঙ্গীতে মাদক সেবন ও মাদক কারবারসহ অবৈধ কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গত ৫৯ দিনে অভিযান পরিচালনা করে ৮৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার (১০ মে) জিএমপি সূত্রে এই তথ্য জানা যায়।

জানা গেছে, টঙ্গীতে ময়লার স্তূপে ভরা বস্তিতে বিলাসবহুল একাধিক শীতাতপনিয়ন্ত্রিত কক্ষের সন্ধান পাওয়া গেছে। কক্ষগুলো মাদক সেবনের কাজে ব্যবহার করে মাদকসেবীরা। তাদের পালানোর জন্যেও বস্তিতে তৈরি করা হয়েছে অসংখ্য সুরঙ্গপথ।

পুলিশ জানায়, ৫৯ দিনে মাদক ও ছিনতাইবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৮৫৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এসময় ৫৫৯ গ্রাম হেরোইন, ২১৫৫ পিস ইয়াবা ও প্রায় ৬ কেজি গাঁজা, ২১০ পিস প্যাথেডিন, ৪৫ বোতল ফেনসিডিলি ও ১০ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে টঙ্গীর ১৯টি বস্তির প্রায় ৫ শতাধিক আন্তঃজেলা মাদক কারবারির এই দেশীয় সিন্ডিকেট অবাধে মাদকের কারবার করছে।

বস্তিগুলো হলো—টঙ্গী বাজার এলাকার গোহাটা বস্তি, হাজী মাজার বস্তি, এরশাদনগর বাস্তুহারা বস্তি, নতুন বাজার এলাকার ব্যাংকের মাঠ বস্তি, আমতলি এলাকার কেরানীরটেক বস্তি, রেলওয়ে বস্তি, মাছিমপুর এলাকার জিন্নাতের পেছনের বস্তি, নিশাতনগর এলাকার নিশাত মহল্লা বস্তি, চুড়ি ফ্যাক্টরি বস্তি, নামা বাজার বস্তি, কলাবাগান বস্তি, বেক্সিমকো সংলগ্ন বেঙ্গলের মাঠ বস্তি, টঙ্গী মেডিক্যালের পেছনের বস্তি, পরানমন্ডলের টেক কাঠালদিয়া বস্তি, নেকারবাড়ী বস্তি, বেলতলা বস্তি, সান্ডারপাড়া বস্তি, খৈরতুলের ব্যাংকপাড়া বস্তি, কড়ইতলা বস্তি অন্যতম।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯ বস্তিতে ৫ হাজারেরও বেশি মাদক কারবারি রয়েছে। মাদকসেবী ও প্রশ্রয়দাতাসহ সব মিলিয়ে মাদক কারবারের নিরাপদ রুট তৈরিতে বস্তিগুলোর প্রায় ২০ ভাগ মানুষ মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।

টঙ্গীতে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ জিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘মাদক কারবারিদের স্বমূলে উচ্ছেদ করতে দিন-রাত কাজ করছে পুলিশ।

ইতিমধ্যে ধারাবাহিক অভিযানে অনেক মাদকসেবী ও কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অনেক মাদক বিক্রয় কেন্দ্র সিলগালাও করা হয়েছে। আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow