বাংলাদেশী জ্বালানি জাহাজের নিরাপত্তায় তথ্য চেয়েছে তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি নিরাপদ রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা। হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে আসা জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো যাতে কোনো বিঘ্ন ছাড়া নিরাপদে চলাচল করতে পারে, সেই জন্য ইরানের কাছে কূটনৈতিক সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তেহরান বাংলাদেশের কেনা জ্বালানি চালানের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চিঠি পাওয়ার একদিনের মধ্যে, বুধবার (২৫ মার্চ) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাঠানো হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশগামী ছয়টি জাহাজের বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৫ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং প্রায় ৭৯ হাজার টন অপরিশোধিত তেল রয়েছে। ইরানকে প্রদত্ত তথ্যের মধ্যে রয়েছে—জ্বালানি লোডিংয়ের নির্দিষ্ট তারিখ, কার্গো ধারণক্ষমতা, লোডিং বন্দর বা উৎস এবং জাহাজের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) শনাক্তকরণ নম্বর। সূত্রে জানা গেছে, ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটি এলএনজি নিয়ে কাতার থেকে এবং একটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবে। ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে এই

বাংলাদেশী জ্বালানি জাহাজের নিরাপত্তায় তথ্য চেয়েছে তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বাংলাদেশের জ্বালানি আমদানি নিরাপদ রাখতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা। হরমুজ প্রণালীর মাধ্যমে আসা জ্বালানিবাহী জাহাজগুলো যাতে কোনো বিঘ্ন ছাড়া নিরাপদে চলাচল করতে পারে, সেই জন্য ইরানের কাছে কূটনৈতিক সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এর প্রেক্ষিতে তেহরান বাংলাদেশের কেনা জ্বালানি চালানের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে একটি চিঠি পাঠিয়েছে।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চিঠি পাওয়ার একদিনের মধ্যে, বুধবার (২৫ মার্চ) ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে প্রয়োজনীয় সব তথ্য পাঠানো হয়েছে। তালিকায় বাংলাদেশগামী ছয়টি জাহাজের বিস্তারিত বিবরণ উল্লেখ করা হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৫ লাখ টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং প্রায় ৭৯ হাজার টন অপরিশোধিত তেল রয়েছে।

ইরানকে প্রদত্ত তথ্যের মধ্যে রয়েছে—জ্বালানি লোডিংয়ের নির্দিষ্ট তারিখ, কার্গো ধারণক্ষমতা, লোডিং বন্দর বা উৎস এবং জাহাজের আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (আইএমও) শনাক্তকরণ নম্বর। সূত্রে জানা গেছে, ছয়টি জাহাজের মধ্যে পাঁচটি এলএনজি নিয়ে কাতার থেকে এবং একটি অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজ সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হবে।

ভৌগোলিক ও কৌশলগত কারণে এই জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী পাড়ি দিতে হবে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কারণে এই পথটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সামান্যতম বিঘ্নও বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে বড় ধরনের ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে এই উদ্বেগকে কেন্দ্র করে তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় করছে ঢাকা।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow