বাংলাদেশের জন্য ৮ কোটিরও বেশি ক্ষতি অস্ট্রেলিয়ার!

দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে চলতি বছর অস্ট্রেলিয়া সফর করবে বাংলাদেশ। আর এই সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের অনেক সদস্য দ্য হান্ড্রেডের নিলামে নাম দেননি। কেননা, দ্য হান্ড্রেড ও অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজ যে একই সময়েই মাঠে গড়াবে। বিজনেস অব স্পোর্ট পডকাস্টে এমন তথ্য তুলে ধরেছেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। যদিও বিষয়টি টেস্ট ক্রিকেট ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মধ্যকার ‘উত্তেজনা’ বাড়িয়ে তুলছে। কামিন্স দ্বিধান্বিত, কতদিন এভাবে টেস্ট ক্রিকেট বা জাতীয় দলের ক্রিকেটকে প্রাধান্য দিতে দেখা যাবে। কথাপ্রসঙ্গে এবং বাস্তবিক অর্থে এ-ও মনে করিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশ সিরিজ অজিদের জন্য ‘বড় সিরিজ’ নয়। কামিন্স বলেন, ‘মজার ব্যাপার হলো, দলের মূল সব খেলোয়াড়ই অ্যাশেজের মতো বড় সিরিজ খেলতে চায়। এই মৌসুমে দ্য হান্ড্রেডের সময় বাংলাদেশের বিপক্ষে আমাদের দুটি টেস্ট রয়েছে। আমাদের যে খেলোয়াড়রা সেই টেস্ট ম্যাচগুলোতে খেলবে, তারা সবাই দ্য হান্ড্রেড নিলামে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু, এমনটা চিরকাল থাকবে না।’ দ্য হান্ড্রেড অবশ্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর একটি। তাই টেস্টের জন্য এমন একটি অর্থকড়ি

বাংলাদেশের জন্য ৮ কোটিরও বেশি ক্ষতি অস্ট্রেলিয়ার!
দুটি টেস্ট ম্যাচ খেলতে চলতি বছর অস্ট্রেলিয়া সফর করবে বাংলাদেশ। আর এই সিরিজের জন্য অস্ট্রেলিয়া টেস্ট দলের অনেক সদস্য দ্য হান্ড্রেডের নিলামে নাম দেননি। কেননা, দ্য হান্ড্রেড ও অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ টেস্ট সিরিজ যে একই সময়েই মাঠে গড়াবে। বিজনেস অব স্পোর্ট পডকাস্টে এমন তথ্য তুলে ধরেছেন অজি অধিনায়ক প্যাট কামিন্স। যদিও বিষয়টি টেস্ট ক্রিকেট ও ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটের মধ্যকার ‘উত্তেজনা’ বাড়িয়ে তুলছে। কামিন্স দ্বিধান্বিত, কতদিন এভাবে টেস্ট ক্রিকেট বা জাতীয় দলের ক্রিকেটকে প্রাধান্য দিতে দেখা যাবে। কথাপ্রসঙ্গে এবং বাস্তবিক অর্থে এ-ও মনে করিয়ে দিয়েছেন, বাংলাদেশ সিরিজ অজিদের জন্য ‘বড় সিরিজ’ নয়। কামিন্স বলেন, ‘মজার ব্যাপার হলো, দলের মূল সব খেলোয়াড়ই অ্যাশেজের মতো বড় সিরিজ খেলতে চায়। এই মৌসুমে দ্য হান্ড্রেডের সময় বাংলাদেশের বিপক্ষে আমাদের দুটি টেস্ট রয়েছে। আমাদের যে খেলোয়াড়রা সেই টেস্ট ম্যাচগুলোতে খেলবে, তারা সবাই দ্য হান্ড্রেড নিলামে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু, এমনটা চিরকাল থাকবে না।’ দ্য হান্ড্রেড অবশ্য বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর একটি। তাই টেস্টের জন্য এমন একটি অর্থকড়ি লিগকে ‘না’ বলা অবশ্যই সহজ কোনো সিদ্ধান্ত নয়। তবে যারা বোর্ডের অধীনে চুক্তিবদ্ধ, তাদের জাতীয় দলের খেলাকে প্রাধান্য দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও রয়েছে। কামিন্স জানান, ‘আমাদের কয়েকজন খেলোয়াড় বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি টেস্ট খেলার জন্য ২০ দিনের বিনিময়ে দ্য হান্ড্রেডের পাঁচ লক্ষ পাউন্ডের (৮ কোটি টাকারও বেশি) প্রস্তাব ফিরিয়ে দিচ্ছে। আমার মনে হয়, এটি একটি উত্তেজনার বিষয়। এ মুহূর্তে আমাদের খেলোয়াড়রা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলার জন্য এতটাই আগ্রহী যে তারা এই প্রস্তাবটি ছেড়ে দিতেও রাজি। কিন্তু আমি মনে করি না যে আমরা এটা মেনে নিতে পারি যে পরিস্থিতি চিরকাল এমনই থাকবে।’ কামিন্সের মতো যারা অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সব ফরম্যাটে খেলেন, তাদের আর্থিক দিকটি অবশ্য বোর্ড পুষিয়ে দেয়। তবে এতে খেলার চাপ থাকে বেশি। বোর্ডের চুক্তিতে নেই এমন ক্রিকেটাররা কম খেলেই বেশি আয় করে থাকেন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে খেলার মাধ্যমে। সেদিকেও মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই তারকা পেসার। এছাড়া তিনি জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে নিজেও বেছে বেছে খেলার কথা ভাববেন। কামিন্স বলেন, ‘অবশ্যই, আমিও নির্দিষ্ট সিরিজগুলোকে অগ্রাধিকার দিব। আমি এখনও তিন ফরম্যাটেই অবশ্য খেলতে খুব আগ্রহী। আমি টেস্ট ক্রিকেট ভালোবাসি।’

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow