‘বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতলে হবে বিশাল অর্জন!’

নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার আইপিএল খেলছেন। ড্যারিল মিচেল খেলছেন পিএসএলে। এছাড়া আরও একাধিক নিয়মিত ক্রিকেটারকে ছাড়াই এবার বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউজিল্যান্ড। সেই দলটিই স্বাগতিক বাংলাদেশকে প্রথম ম্যাচে হারিয়ে এগিয়ে গিয়েছে সিরিজে। আগামীকাল সোমবার দ্বিতীয় ম্যাচ মাঠে গড়াবে সকাল ১১টায়, জিতলেই সিরিজ জয় নিশ্চিত হবে কিউইদের। যদি বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জেতা যায়, সেটা হবে বড় অর্জন বলছেন দলটির পেসার নাথান স্মিথ। পরিসংখ্যান, র‌্যাংকিং সবকিছুতেই এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। এমনকি কয়েকদিন আগে ভারতের মাটিতে সিরিজও জিতে এসেছে তারা। ওয়ানডের দ্বিতীয় সেরা দলও কিউইরা। এরপরও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতলে বড় অর্জন বলছেন স্মিথ। এর মূল কারণ প্রায় দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন তারা। এছাড়া বৈশাখের গরমে ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে হচ্ছে প্রখর রোদে। এর আগে বাংলাদেশে শেষ তিন সিরিজের কোনোটিই এই সময়ে খেলেনি নিউজিল্যান্ড। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে, আবহাওয়া যখন তুলনামূলক আরামদায়ক। এর আগে ২০০৮ সালে জিতেছে অক্টোবরে সিরিজ খেলে, ২০০৪ সালে নভেম্বরে বাংলাদেশ সফর করেছিল তারা। কন্ডিশন প্রতিকূল, দল অনভিজ্ঞ। এরপরও সিরিজ জিততে পারাটা কত

‘বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতলে হবে বিশাল অর্জন!’

নিয়মিত অধিনায়ক মিচেল স্যান্টনার আইপিএল খেলছেন। ড্যারিল মিচেল খেলছেন পিএসএলে। এছাড়া আরও একাধিক নিয়মিত ক্রিকেটারকে ছাড়াই এবার বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউজিল্যান্ড। সেই দলটিই স্বাগতিক বাংলাদেশকে প্রথম ম্যাচে হারিয়ে এগিয়ে গিয়েছে সিরিজে।

আগামীকাল সোমবার দ্বিতীয় ম্যাচ মাঠে গড়াবে সকাল ১১টায়, জিতলেই সিরিজ জয় নিশ্চিত হবে কিউইদের। যদি বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জেতা যায়, সেটা হবে বড় অর্জন বলছেন দলটির পেসার নাথান স্মিথ।

পরিসংখ্যান, র‌্যাংকিং সবকিছুতেই এগিয়ে নিউজিল্যান্ড। এমনকি কয়েকদিন আগে ভারতের মাটিতে সিরিজও জিতে এসেছে তারা। ওয়ানডের দ্বিতীয় সেরা দলও কিউইরা। এরপরও বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জিতলে বড় অর্জন বলছেন স্মিথ। এর মূল কারণ প্রায় দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন তারা।

এছাড়া বৈশাখের গরমে ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে হচ্ছে প্রখর রোদে। এর আগে বাংলাদেশে শেষ তিন সিরিজের কোনোটিই এই সময়ে খেলেনি নিউজিল্যান্ড। ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে, আবহাওয়া যখন তুলনামূলক আরামদায়ক। এর আগে ২০০৮ সালে জিতেছে অক্টোবরে সিরিজ খেলে, ২০০৪ সালে নভেম্বরে বাংলাদেশ সফর করেছিল তারা।

কন্ডিশন প্রতিকূল, দল অনভিজ্ঞ। এরপরও সিরিজ জিততে পারাটা কত বড় অর্জন হবে, দ্বিতীয় ম্যাচের আগে তা নিয়ে স্মিথ বললেন, ‘এটা হবে বিশাল ব্যাপার হবে। বাংলাদেশ সত্যিই একটি শক্তিশালী দল নামিয়েছে। আপনারা জানেন, নিউজিল্যান্ডে আমরা পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নিতে গর্ববোধ করি এবং এই মুহূর্তে নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটে শক্তির গভীরতা অনেক। তাই পূর্ণ শক্তির দল নিয়ে খেলার সময় যারা থাকে না, তাদের নিয়ে এসে এই কন্ডিশনের সঙ্গে পরিচিত করানো এবং সেই অভিজ্ঞতা অর্জন করে ভালো ফল ও সাফল্য এনে দেওয়াটা দলের গভীরতা বাড়ায় এবং সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য অনেক আত্মবিশ্বাস জোগায়।’

প্রথম ম্যাচের জয়ে বড় অবদান ছিল স্মিথের। ব্যাট হাতে শেষ দিকে ২১ রানের ক্যামিও খেলার পর শুরুতেই টানা দুই বলে তানজিদ হাসান ও নাজমুল হোসেন শান্তকে ফিরিয়ে টালমাটাল করে দেন বাংলাদেশের ব্যাটিংকে। শেষদিকে তাওহীদ হৃদয়কে আউট করে নিউজিল্যান্ডের জয়ও নিশ্চিত করেন এই পেসার।

এমন প্রতিরুদ্ধ কন্ডিশনে আরও বেশি করে খেলতে চান স্মিথ, ‘নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য আমাদের এখানে আসাটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ আমরা এই পরিস্থিতিতে খেলতে চাই, আমরা এমন পরিস্থিতিতে খেলতে চাই যা আমাদের কাছে অপরিচিত এবং এমন পিচে কার্যকর হওয়ার উপায় খুঁজে বের করতে চাই, যেখানে আমরা খুব একটা অভ্যস্ত নই। গত ম্যাচে যেভাবে আমরা বাংলাদেশকে চাপে ফেলেছিলাম, তা সত্যিই খুব সন্তুষ্টির ছিল। সুতরাং আমরা যদি সিরিজটি জিততে পারি, তবে তা আমাদের জন্য বিশাল ব্যাপার হবে।’

এসকেডি/আইএইচএস/

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow