বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সাংস্কৃতিক বন্ধন ঐতিহাসিক : প্রণয় ভার্মা

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অত্যন্ত গভীর যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে তা ঐতিহাসিক বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) গুলশানের আইজিসিসি প্রাঙ্গণে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) প্রতিষ্ঠার ৭৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘আইসিসিআর দিবস’ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।  হাইকমিশনার বলেন, ভারতীয় হাই কমিশন এবং ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) ভারতীয় কূটনীতির সাংস্কৃতিক হৃদস্পন্দন, যা সীমান্ত অতিক্রম করে সাংস্কৃতিক সংলাপকে উৎসাহিত করে।  অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার আইজিসিসি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী চিত্রশিল্প ক্যাম্প ‘সম্প্রীতি’-র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের স্থায়ী সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা। অনুষ্ঠানে দুই দেশের বোঝাপড়া ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রণয় ভার্মা বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর, যা দীর্ঘ ইতিহাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ভারতীয় হাইকমিশন এবং আইজিসিসি কেবল কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র,

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সাংস্কৃতিক বন্ধন ঐতিহাসিক : প্রণয় ভার্মা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অত্যন্ত গভীর যে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে তা ঐতিহাসিক বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) গুলশানের আইজিসিসি প্রাঙ্গণে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর) প্রতিষ্ঠার ৭৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে ‘আইসিসিআর দিবস’ উদযাপন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।  হাইকমিশনার বলেন, ভারতীয় হাই কমিশন এবং ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) ভারতীয় কূটনীতির সাংস্কৃতিক হৃদস্পন্দন, যা সীমান্ত অতিক্রম করে সাংস্কৃতিক সংলাপকে উৎসাহিত করে।  অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার আইজিসিসি আয়োজিত দুই দিনব্যাপী চিত্রশিল্প ক্যাম্প ‘সম্প্রীতি’-র আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য ছিল দুই দেশের স্থায়ী সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা। অনুষ্ঠানে দুই দেশের বোঝাপড়া ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে প্রণয় ভার্মা বলেন, “ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সাংস্কৃতিক সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর, যা দীর্ঘ ইতিহাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। ভারতীয় হাইকমিশন এবং আইজিসিসি কেবল কূটনৈতিক প্রতিষ্ঠান নয়, বরং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র, যা দুই দেশের মানুষের মধ্যে সংযোগ ও বোঝাপড়া বাড়াতে ভূমিকা রাখছে।” দুই দেশের মধ্যে স্থায়ী সাংস্কৃতিক অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার লক্ষ্য নিয়ে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে দুই দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, সাংস্কৃতিক কর্মী ও শিল্পীরা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow