বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার অঙ্গীকার

বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেদের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ করতে অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে। ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলি খাসিফ আল হামুদির সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ অঙ্গীকার করা হয়। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি পুনরায় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান। সাক্ষাতে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার পরিবেশে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।  এসময় ধর্মবিষয়ক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর আলোচনা কেন্দ্রীভূত ছিল। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও গভীরতর পারস্পরিক বোঝাপড়া উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত ধর্মীয় সেবাকে আধুনিকায়ন, প

বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত করার অঙ্গীকার

বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাত নিজেদের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ করতে অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।

ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত আব্দুল্লাহ আলি খাসিফ আল হামুদির সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ অঙ্গীকার করা হয়।

মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও আরব আমিরাতের মধ্যকার দীর্ঘদিনের ঐতিহাসিক ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের বিষয়টি পুনরায় গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এসব তথ্য জানান।

সাক্ষাতে উভয় পক্ষ পারস্পরিক সম্মান ও বোঝাপড়ার পরিবেশে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও বিস্তৃত ও ফলপ্রসূ পর্যায়ে উন্নীত করার বিষয়ে তাদের অভিন্ন অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। 

এসময় ধর্মবিষয়ক ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার এবং দুই বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের মধ্যে পারস্পরিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির ওপর আলোচনা কেন্দ্রীভূত ছিল। পাশাপাশি জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও গভীরতর পারস্পরিক বোঝাপড়া উন্নয়নের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।

মন্ত্রী ও রাষ্ট্রদূত ধর্মীয় সেবাকে আধুনিকায়ন, প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং ধর্মভিত্তিক শিক্ষা ও সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে মতবিনিময় করেন। উভয় পক্ষই অভিন্ন মূল্যবোধ, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক অগ্রগতির লক্ষ্যে সহযোগিতা আরও গভীর করার বিষয়ে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৈঠকটি সৌহার্দ্য, সদিচ্ছা ও কৌশলগত অংশীদারত্বের মনোভাবের মধ্য দিয়ে সমাপ্ত হয়। এছাড়া, আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার সম্পর্ককে আরও উচ্চতর পর্যায়ে উন্নীত করার অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

এমইউ/একিউএফ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow