বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘নিভৃত অভিভাবক’ আসগর আর নেই

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন সাবেক আম্পায়ার মোহাম্মদ আসগর। বাংলাদেশি এই আম্পায়ার কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। বহু প্রথম শ্রেণি ও শীর্ষ স্তরের ঘরোয়া ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেছেন দেশের বাইরে। সাতটি ওয়ানডেতে টিভি আম্পায়ারের ভূমিকায় ছিলেন তিনি। ২০২১ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিলেন তিনি, ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব শেষ করেন।  সাবেক এই আন্তর্জাতিক ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের আম্পায়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ক্রিকেট টুর্নামেন্ট বিসিবি এক শোকবার্তায় জানায়, দেশের ক্রিকেটে কয়েক দশক ধরে সম্মানিত ও পরিচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন মোহাম্মদ আসগর। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তার আম্পায়ারিং ক্যারিয়ার শুরু হয় এবং তিনি অসংখ্য প্রথম শ্রেণির ও ঘরোয়া ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। এছাড়া সফরকারী আন্তর্জাতিক দলের ম্যাচেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ক্রিকেটারদের সঙ্গে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গিয়েছেন তিনি। ২০২১ সাল

বাংলাদেশ ক্রিকেটের ‘নিভৃত অভিভাবক’ আসগর আর নেই

না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন সাবেক আম্পায়ার মোহাম্মদ আসগর। বাংলাদেশি এই আম্পায়ার কাজ করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব। বহু প্রথম শ্রেণি ও শীর্ষ স্তরের ঘরোয়া ম্যাচ পরিচালনা করেছেন তিনি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করেছেন দেশের বাইরে। সাতটি ওয়ানডেতে টিভি আম্পায়ারের ভূমিকায় ছিলেন তিনি। ২০২১ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিলেন তিনি, ম্যাচ রেফারি হিসেবে দায়িত্ব শেষ করেন। 

সাবেক এই আন্তর্জাতিক ও প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটের আম্পায়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ক্রিকেট টুর্নামেন্ট

বিসিবি এক শোকবার্তায় জানায়, দেশের ক্রিকেটে কয়েক দশক ধরে সম্মানিত ও পরিচিত ব্যক্তিত্ব ছিলেন মোহাম্মদ আসগর। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে তার আম্পায়ারিং ক্যারিয়ার শুরু হয় এবং তিনি অসংখ্য প্রথম শ্রেণির ও ঘরোয়া ম্যাচ পরিচালনা করেছেন। এছাড়া সফরকারী আন্তর্জাতিক দলের ম্যাচেও দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

প্রজন্মের পর প্রজন্ম ক্রিকেটারদের সঙ্গে নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে গিয়েছেন তিনি। ২০২১ সাল পর্যন্ত তিনি ম্যাচ রেফারি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

বিসিবি পৃথক ফেসবুক বার্তায় লিখেছে, ‘আজ বাংলাদেশ ক্রিকেট হারালো খেলার এক নিঃশব্দ অভিভাবককে। দীর্ঘদিন তিনি সততা, ন্যায়পরায়ণতা ও শান্ত অথচ দৃঢ় উপস্থিতি নিয়ে স্টাম্পের পেছনে দায়িত্ব পালন করেছেন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে না থেকেও ক্রিকেটের অন্তরে থেকে নিষ্ঠার সঙ্গে খেলাটিকে সেবা দিয়ে গেছেন তিনি। মাঠের পাশাপাশি পুরো ক্রিকেট অঙ্গনেই তার অনুপস্থিতি গভীরভাবে অনুভূত হবে।’

শোকবার্তায় বিসিবি মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছে এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow